চতুর্থ স্থানে শেষ করলেন জয়দীপ

Update: August 3, 2012 16:47 IST

একটুর জন্য পদক হাতছাড়া বাংলার শুটার জয়দীপ কর্মকারের। পুরুষদের ৫০ মিটার রাইফেল প্রোনের ফাইনালে ৬৯৯.১ পয়েন্ট পেয়ে চতুর্থ স্থানে শেষ করলেন জয়দীপ। গগন নারাং আগেই ইভেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়য় প্রত্যাশা তৈরি জয়দীপকে ঘিরে। ৫৯৫ পয়েন্ট পেয়ে ফাইনালে পৌঁছন জয়দীপ। প্রথমে যুগ্ম ভাবে চার নম্বর স্থানে থেকে ইভেন্টে শেষ করেন জয়দীপ। তারপর শুটআউটের মাধ্যমে ফাইনালে ওঠার ছাড়পত্র পান তিনি।

এরই পাশাপাশি ৫০০ মিটার এয়ার পিস্তলে অলিম্পিক রেকর্ড ভেঙে ফাইনালে উঠলেন বিজয় কুমার। কিছুক্ষণ পরেই পদক জয়ের লড়াইয়ে নামবেন তিনিও।






Post Your Comment

Total Comments:2

Next time. . .

Wish u Good Luck Joydeep Amra Tomar Pasa Atche

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।