প্রত্যাবর্তনের জার্সিতে কাকা, মেসি, রুনি

Update: September 28, 2012 16:22 IST

কাকা, মেসি, রুনি, । বিশ্ব ফুটবলের তিন নাম একই দিনে প্রত্যাবর্তনের খবরে । কারও প্রত্যাবর্তনটা খুব চোখে পড়ার মত, কারোরটা আবার প্রত্যাশিত। কিন্তু বর্তমান ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা তিন ফুটবলার এখন প্রত্যাবর্তনের তিন মূর্তি ।

দু বছর পর ব্রাজিল দলের হয়ে খেলার জন্য ডাক পেলেন কাকা। মেসি আবার জাতীয় দলের নেতৃত্বে ফিরছেন। অন্যদিকে, রুনি চোট কাটিয়ে ফিরছেন আলেক্স ফার্গুসনের সংসারে।


ফুটবল বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার্সের জন্য আর্জেন্টিনা দল ঘোষণা করলেন কোচ আলেসান্দ্রো সাবেয়া। দলকে নেতৃত্ব দেবেন লিওনেল মেসি। আঠেরো সদস্যের এই দলে সব ফুটবলারই বিদেশে খেলেন। তবে মনে করা হচ্ছে ম্যাচের আগে কিছু স্থানীয় ফুটবলারও দলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আগামী মাসের ১২ তারিখ উরুগুয়ের বিরুদ্ধে খেলবে আর্জেন্টিনা। ১৬ তারিখ অ্যাওয়ে ম্যাচে চিলির বিরুদ্ধে খেলবেন মেসিরা।

ফর্মে ফিরে ভাল সময়ও ফিরিয়ে এনেছেন কাকা। রিয়াল মাদ্রিদে তাঁর ভবিষ্যত নিশ্চিত হওয়ার পর এবার ব্রাজিল দলের হয়ে খেলার জন্য ডাক পেয়েছেন কাকা। আগামী মাসে ইরাকের সঙ্গে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে কাকাকে ডেকে পাঠিয়েছেন ব্রাজিল কোচ মানো মেঞ্জেস। প্রায় দুবছর পর নিজের দেশ ব্রাজিলের হয়ে খেলতে দেখা যাবে কাকাকে। ২০১০ বিশ্বকাপের পর ব্রাজিলের হয়ে কোন ম্যাচ খেলেননি তিনি।

ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের রক্ষণভাগ নিয়ে চিন্তিত কোচ অ্যালেক্স ফার্গুসন। গত সপ্তাহ পর্যন্ত তিন সিনিয়র ডিফেন্ডার রিও ফার্দিনান্দ, জনি ইভান্স এবং নেমাঞ্জা ভিদিচের ভরসায় ছিলেন তিনি। কিন্তু সম্প্রতি ভিদিচের হাঁটুতে চোট পাওয়ায় মাথায় হাত ফার্গুসনের। বাধ্য হয়ে এখন মিশেল কিন এবং স্কট উটনের মত তরুণদের নিয়ে দল গড়তে হবে তাঁকে। তবে রুনির চোট কাটিয়ে ফেরায় খানিকটা স্বস্তিতে ম্যানইউ কোচ।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।