অবনমনে লড়াই করার অভিজ্ঞতা আছে করিমের

Update: January 16, 2013 22:56 IST

কয়েকবছর আগের ঘটনা। মোহনবাগান ছেড়ে সালগাঁওকরে যোগ দিয়েছিলেন করিম বেঞ্চিরিফা। অবনমনের আওতায় থাকা গোয়ার দলটিকে বাঁচানোই টার্গেট ছিল মরোক্কান করিমের। সেই লক্ষ্যে পুরোপুরি সফল হয়েছিলেন তিনি। সেই আই লিগে ষষ্ঠ স্থান পেয়েছিল সালগাঁওকর। এবারও প্রায় একই চিত্র।

সালগাঁওকর ছেড়ে সবুজ মেরুনে  যোগ দেওয়ার পর,অবনমনের বাঁচানোই এখন প্রধান লক্ষ্য হতে চলেছে বর্তমান মোহনবাগান কোচের। করিমের আশা গতবার যেমন পেরেছিলেন,এবারও তিনি পারবেন। আই লিগে থেকে শূন্য থেকে শুরু করতে হচ্ছে মোহনবাগানকে। সবচেয়ে কঠিন সময়ে দলের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে পাশে থাকার আবেদন জানিয়েছেন করিম বেঞ্চিরিফা।

বুধবার  যেন মোহনবাগানে নতুন সকাল। নয়ই ডিসেম্বর বিতর্কিত ডার্বির পর থেকেই অনিশ্চিত ভবিষ্যতের আশঙ্কা গ্রাস করেছিল ওডাফাদের। মঙ্গলবার ফেডারেশনের বৈঠকের পর থেকেই চনমনে টোলগেরা। বুধবার সকালের অনুশীলনেও সেই ছবি স্পষ্ট। দেশের সেরা টুর্নামেন্টে মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে সবাই। দলের অনুশীলনের পর প্রথম একাদশের ফুটবলারদের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন কোচ করিম বেঞ্চিরিফা। সেখানে টোলগেদের সতর্ক করে দেন তিনি। করিম জানান,অবনমন বাঁচানোই এখন তাদের ধ্যান জ্ঞান। আপাতত ম্যাচ ধরে ধরে এগোতে চান মোহনবাগান কোচ। আই লিগে টোলগেদের পরের ম্যাচ সম্ভবত সালগাঁওকরের বিরুদ্ধে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।