ফাইনালেও উঠে জেদ আরও বাড়ল মরগ্যানের

Update: September 28, 2012 14:44 IST

ফাইনালে উঠেও আত্মতুষ্টিতে ভুগছেন না ইস্টবেঙ্গলের ব্রিটিশ কোচ ট্রেভর মরগ্যান। বললেন, ফাইনালে উঠে দারুণ লাগছে। তবে কাজ এখনও শেষ হয়নি। এখন দলের খেলায় অনেক উন্নতির অবকাশ রয়েছ বলে মনে করেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ। তবে দলের ফুটবলারদের উপর তিনি বেশ খুশি সেটাও জানিয়েছেন । একই সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ফাইনালে উঠে কাপ জয়ের খিদেটা আরও বেড়ে গেছে। গতকাল চার্চিল ব্রাদার্সের বিরুদ্ধে জয়ের পর লাল হলুদ বাহিনীকে ঘিরে উচ্ছাসে মাতোয়ারা ময়দান। কিন্তু এই উচ্ছ্বাসে গা ভাসাতে মোটেও রাজি নন মরগ্যান। ফেড কাপের ফাইনালকেই পাখির চোখ দেখছেন তিনি। নিজেই জানালেন ফাইনালে কাদের সঙ্গে তাঁর দল খেলবে সেটা নিয়ে তিনি মোটেও ভাবছেন না। জেতাকেই এখন মূল মন্ত্র করতে চাইছেন এই ইংরেজ।

পর পর চারবার। ফেড কাপ ফাইনালে আবার লাল হলুদ বাহিনী। মঙ্গল বার শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে মেগা সেমিফাইনালে গোয়ার চার্চিল ব্রাদার্সকে ১-০ গোলে পরাজিত করল ইস্টবেঙ্গল। অতিরিক্ত সময়ে খেলার জয়সূচক গোলটি করেন লালরিন ডিকা। গ্রুপ লিগে সেভাবে ছন্দে পাওযা যায়নি লাল-হলুদ শিবিরকে। তার উপর কালিঘাটের বিরুদ্ধে ৪-৩ গোলে জয়ের পর গড়াপেটার বিতর্ক উস্কে দিয়েছিলেন গোয়ার ক্লাবগুলির কোচেরা। তাই বৃহস্পতিবারের সেমিফাইনাল ছিল মরগ্যানের কাছে চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জে বেটোদের টেক্কা দিলেন মেহতাবরা। ৯০ মিনিটে কোন দলই গোলমুখ খুলতে পারেনি। যদিও দুদলের কাছেই সুযোগ এসেছিল। শেষপর্যন্ত ১১১ মিনিটে ডেডলক খোলেন পরিবর্ত হিসাবে মাঠে নামা লালরিন ডিকা। মেহেতাবের নেওয়া ফ্রিকিকে চিড্ডির হেড ডিকার কাছে পৌঁছলে বাঁ পায়ের দুরন্ত শটে গোল করে যান জাতীয় দলের এই মিডফিল্ডার।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।