চেলসির দায়িত্বে `চিরশত্রু`, সিটির বিদায়

Update: November 22, 2012 21:16 IST

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় নিল ম্যানচেস্টার সিটি। আয়াক্স আমস্টারডামের সঙ্গে ২-২ গোল ড্র করায় গতবারের মত এবারও ইউরোপ সেরা ফুটবল প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিল। এদিন আবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে একটা কাণ্ড ঘটল। জিততে পারল না ইউরোপের কোনও বড় ক্লাবই। ‍ম্যানচেস্টার সিটির পাশাপাশি রিয়াল মাদ্রিদ-, এসি মিলান, আর্সেনাল, শালকে জিরো ফোর-এর মত বড় দলেরা ড্র করে বসল।

মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ ষোলোয় উঠেছে এফসি পোর্তো ও মালাগা। বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছে রিয়াল মাদ্রিদ। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে রিয়াল মাদ্রিদ ও জার্মানির বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। ২৮ মিনিটে এগিয়ে যায় সফরকারীরা। গোল করেন রেউস। ৩৪ মিনিটে মেসুত ওজিলের পাস থেকে রিয়ালকে সমতায় ফেরান পেপে। ৪৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে বরুসিয়া। ৪৫ মিনিটে ভুলে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন রিয়ালের আরবেলোয়া। বিরতির পর গোল শোধে মরিয়া হয়ে উঠে রিয়াল। শত চেষ্টা করেও সফরকারীদের রক্ষণদুর্গে চিড় ধরাতে পারছিলো না রোনাল্ডোরা। খেলার শেষ মুহূর্তে সাফল্যের দেখা পায় রিয়াল। ৮৯ মিনিটে মেসুত ওজিলের গোলে সমতায় ফেরে তারা। বাকি সময় হয়নি। তাই ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে হোসে মরিনহোর দলকে। এদিকে আর্সেনাল ২-২ গোল জার্মানির শালকে জিরো ফোরের বিরুদ্ধে ড্র করে। ইতালির এসি মিলান ১-১ গোলে স্পেনের মালাগার সঙ্গে এবং ডায়নামো কিভ গোলশূন্য ড্র করেছে পতুগার্লের ক্লাব পোর্তোর সঙ্গে।
এদিকে, যে রাফায়েল বেনিতেজকে একসময় চিরশত্রু বলে ছিলেন, চেলসির মালিক রুশ ধনকুবের রোমান আব্রাহিমোভিচ। সেই বেনিতেজকেই অন্তবর্তীকালীন কোচ হিসেবে নিয়োগ করল চেলসি।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।