লিভারপুলে জয়ের নোঙর ফার্গুসনের

Update: January 13, 2013 22:02 IST

ম্যান ইউ (২) লিভারপুল (১)
ব্রিটিশ ফুটবলের ঐতিহ্যের যুদ্ধে শেষ হাসি হাসলেন আলেক্স ফাগুর্সন। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিভারপুলকে ২-১ হারিয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড প্রিমিয়ার লিগের লিগ টেবিলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে আরও বেশ খানিকটা এগিয়ে গেল। প্রথমে নিজেদের মাঠে তারপর ঘরের মাঠে লিভারপুলকে হারিয়ে স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের দলে এখন খুশির হাওয়া।

ম্যাচের ১৯ মিনিটের মাথায় ডাচ ফুটবল তারকা ফ্যান পার্সির গোলে এগিয়ে যায় ম্যান ইউ। যদিও এরপর ড্যানিয়েল স্টুরিজের গোলে সমতা ফেরায় লিভারপুল। তবে সার্বিয়ান নেমানজা ভিডিকের অসাধারণ ফ্রি কিকের সৌজন্যে লিভেরপুলের বিরুদ্ধে জয়ের ডবলটা করে ফেললেন ফার্গুসনের ছেলেরা।

লিগটেবিলে দু`নম্বর ম্যানচেস্টার সিটির থেকে এই মুহূর্তে ১০ পয়েন্টে এগিয়ে আছে ম্যান ইউ। তবে স্যার ফার্গি অবশ্য লিগ টেবিলে তাঁরা কত নম্বরে আছেন তা নিয়ে এখনই মোটেও ভাবতে নারাজ। তিনি নিজেই আজ জানিয়েছেন লিগ টেবিলে এক নম্বরে থাকার থকেও ১৬ ম্যাচ বাকি থাকতেই তাঁরা যে লিভারপুলের থেকে ২৪ পয়েন্টে এগিয়ে গেছেন, সে বিষয়টি তাঁকে বেশি স্বস্তি দিয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।