ঐতিহ্যের উইম্বলডনে জয় ফরাসি পরিশ্রমের প্রতীক বার্তোলির

ঐতিহ্যের উইম্বলডনে খেতাব ফরাসি পরিশ্রমের প্রতীক বার্তোলির

ঐতিহ্যের উইম্বলডনে খেতাব ফরাসি পরিশ্রমের প্রতীক বার্তোলিরসবুজ ঘাসের কোর্টে জয় হল পরিশ্রম আর সাধনার। উইম্বলডনে মহিলাদের সিঙ্গলসে চ্যাম্পিয়ন হলেন ফ্রান্সের মারিয়ন বার্তোলি। শনিবার অল ইংল্যান্ড কোর্টের ফাইনালে ২৮ বছরের এই ফরাসি খেলোয়াড় হারালেন জার্মানির সাবিন লিজিকিকে। একপেশে ফাইনালে বার্তোলি জিতলেন ৬-১, ৬-৪। এর আগে ২০০৭ উইম্বডনের ফাইনালে খেললেও বার্তোলির কেরিয়ারে এটাই প্রথম গ্র্যান্ডস্লাম খেতাব জয়।

ফাইনালে তাঁর থেকে অনেক বেশি আলোচনা হয়েছিল প্রতিপক্ষ লিজিকিকে নিয়ে। কেউ সেভাবে খেয়ালই করেনি বার্তোলির কথা। সেই ঔদাসিন্যের জবাব র‌্যাকেটেই দিলেন বার্তোলি। গোটা টুর্নামেন্টে একটা সেটে না হেরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নজিরও গড়লেন এই ফরাসি কন্যা।

উইম্বলডনেই দু’বছর আগে নিজের ম্যাচের সময় বার্তোলি কোর্ট থেকে চিৎকার করে ওর বাবা-মাকে স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যেতে বলেছিল। আজ সেই বার্তোলিই ছুটে গেলেন বাবা-মা র কাছে। কেঁদেও ফেললেন...
ঐতিহ্যের উইম্বলডনে খেতাব ফরাসি পরিশ্রমের প্রতীক বার্তোলির
চলতি উইম্বলডনে সেরেনা উইলিয়ামস, রাদওয়ানস্কার মত খেলোয়াড়দের উড়িয়ে দেওয়া লিজিকিকে ফাইনালে দাঁড়াতেই দিলেন না বর্তমানে রজার ফেডেরারের প্রতিবেশী নতুন এই উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন। ২০০৭ সালে এই উইম্বডলনের ফাইনালে ভেনাস উইলিয়ামসেরর কাছে হেরে খেতাব জেতা হয়নি বার্তোলির। সেই হারের খিদেটা ধরা পড়ল এদিন বার্তোলির খেলায়। অন্যদিকে স্টেফি গ্রাফের দেশের লিজিকি প্রথম গ্র্যান্ডস্লামে খেলার চাপ নিতে পারলেন না। দ্বিতীয় সেটের একটা সময় লিজিকি কাঁদতে কাঁদতে খেললেন। মজার কথা গ্র্যান্ড স্ল্যামে সানিয়া মির্জাও একবার হারিয়েছিলেন নতুন উইম্বডন চ্যাম্পিয়নকে। কলকাতাতেও খেল গিযেছেন বার্তোলি।

লিজিকির ওপর মারাত্মক প্রত্যাশার চাপ ছিল। ফাইনালে ওঠার পথে সেরেনা উইলিয়ামস-সহ আরও দুই গ্র্যান্ড স্ল্যাম চ্যাম্পিয়ন। গত বারের ফাইনালিস্ট। উইম্বলডনের আগেই ঘাসের কোর্টের ডব্লিউটিএ টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়নকে একের পর এক হারানোয় এ বার উইম্বলডনে লিজিকি হঠাৎ করে ‘সিন্ডারেলা অব টুর্নামেন্ট’ হয়ে উঠেছিল। সেখানে বার্তোলির ওপর প্রায় চাপ ছিল না। সেটা কাজে লাগিয়েই বাজিমাত করলেন বেশ মোটাসোটা চেহারার বার্তোলি।




First Published: Sunday, July 07, 2013, 09:41


comments powered by Disqus