ম্যাকালামের ব্যাটিং ঝড়ে বাংলাদেশের হার

Update: September 21, 2012 21:11 IST

টি-২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ-বি তে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শোচনীয় পরাজয় ঘটল বাংলাদেশের। বাংলাদেশের ক্যাপ্টেন মুশফিকর রহিম টসে জিতে যখন নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান, তখন হয়ত ভাবতেও পারেননি ম্যাকালামের ব্যাটিং এভাবে তাঁদের দলের মেরুদন্ড ভেঙে ফেলবে। তাঁর ৫৮ বলে ১২৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস মনে করিয়ে দিয়ে গেল ২০০৮র আইপিএল এ রয়্যাল চ্যালেঞ্জারে বিরুদ্ধে করা ১৫৮ রান।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৯ রানের মাথায় প্রথম উইকেটটি হারায় নিউজিল্যান্ড। এরপর ময়দানে নামেন ম্যাকালাম। আর এক ওপেনার ফ্রাঙ্কলিনের সঙ্গে জুড়ি বেঁধে দ্বিতীয় উইকেটে ১১৩ রান তোলেন। মূলত এই দুজনের ব্যাটের উপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে কিউরা তোলে ১৯১ রান। ম্যাকালামের ৫৮ বলে ১২৩ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৭ টি ৬ আর ১১ টি ৪ দিয়ে। প্রাক্তন নাইট রাইডিয়ানকে যোগ্য সঙ্গত দেন ফ্রাঙ্কলিন। তাঁর ৩৬ বলে ৩৫ রানের ইনিংসে ছিল ১টি ৬ এবং ২টি ৪। স্বাভাবিক ভাবেই গোটা ম্যাচ জুড়ে বাংলাদেশের বোলাররা তেমন কোনো সুবিধা করতে পারেননি।

নিউজিল্যান্ডের ১৯১ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথমেই ব্যাটিং বিপর্যের সম্মুখীন হয় বঙ্গ ব্রিগেড। শূণ্য রানে মিলসের বলে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান তামিম ইকবাল। এরপরের নিউজিল্যান্ডের বোলিং-এর সামনে কার্যত তাসের ঘরের মতন ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং স্কোয়াড। এমনকি নাসির হোসেনের ৩৯ বলে ৫০ রানের লড়াকু ইনিংসও বাঁচাতে পাড়ল না বাংলাদেশকে। মাত্র ১৩২ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। এই হারের ফলে লিগ টেবিলে টিকে থাকা বাংলাদেশের কাছে বেশ কঠিন হয়ে গেল। বাংলাদেশের পরের ম্যাচ পাকিস্তানের সঙ্গে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।