বিশ্বসেরার বিশ্বরেকর্ডের সামনে মেসি

Update: January 6, 2013 16:53 IST

মাত্র পঁচিশ বছর বয়সেই অনন্য রেকর্ডের সামনে লিওনেল মেসি। প্লাতিনি, জোহান ক্রুয়েফ, জিদান, রোনাল্ডোর মত কিংবদন্তি ফুটবলাররা যা করতে পারেননি, তা করে দেখানোর সুযোগ আর্জেন্টিনীয় সুপারস্টারের সামনে। টানা চার বার বিশ্বসেরা ফুটবলার হওয়ার দোড়গোড়ায় লিও মেসি।

গত বছর বার্সেলোনা কোনও বড় ট্রফি না জিতলেও,বিশ্বফুটবলকে চমকে দিয়েছিল মেসি ম্যাজিক। জার্মানির কিংবদন্তি ফুটবলার গার্ড মুলারের এক বছরে সর্বাধিক গোল করার রেকর্ড ভেঙে ফেলে ৯১ গোল করেছিলেন এই বিস্ময় প্রতিভা।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এক মরসুমেও সর্বাধিক গোল করার নজির গড়েছিলেন বার্সেলোনার এই তারকা ফুটবলার। শুধু ক্লাবের হয়েই নয়,অধিনায়ক হিসাবে জাতীয় দলের জার্সিতেও জ্বলে উঠেছেন মেসি। বিশ্বকাপের যোগ্যতানির্ধারণী পর্বে গোল করে দলকে টেনেছেন তিনি। ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মুহূর্তে নিজের সেরা ফর্মে রয়েছেন মেসি। আগামীদিনে মেসিকে আটকানো আরও বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে ডিফেন্ডারদের সামনে।

তবে পুরস্কার বা বিশ্বসেরার স্বীকৃতি নয়, মেসি শুধুই গোল করে দলকে ট্রফি এনে দিতে চান। মাত্র পঁচিশেই বার্সেলোনার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসি। কোথায় গিয়ে তিনি থামবেন,তা বোধহয় জানেন না কেউই। সোমবারই ঘোষণা হবে বিশ্বসেরা ফুটবলারের নাম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেসির নাম ঘোষণা শুধুই সময়ের অপেক্ষা। সেই অপেক্ষাতেই প্রহর শুনছেন মেসি ভক্তরা।





Post Your Comment

Total Comments:4

woh messi my best and ever i really like messi.. he only deserved the trophy.. best of luck

woh messi my best and ever i really like messi.. he only deserved the trophy.. best of luck

messi 6ara r kauke vabai jaina.....<3

Gud luck messi

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।