বিশ্বসেরার বিশ্বরেকর্ড মেসির

Update: January 8, 2013 08:32 IST

বিশ্বফুটবলে ইতিহাস গড়লেন লিওনেল মেসি। ফিফার বর্ষসেরা ফুটবলারের সম্মানে সম্মানিত হলেন তিনি।এই নিয়ে টানা চার বার ব্যালন ডি অর জেতার কৃতিত্ব অর্জন করলেন আর্জেন্টিনীয় সুপারস্টার।সোমবার রাতে জুরিখে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে মেসির হাতে ব্যালেন ডি অর পুরস্কার তুলে দেন ইতালির বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ফাবিও ক্যানাভারো। ৪১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন মেসি। ২৩ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থান পান ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো।দশ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন মেসির বার্সা সতীর্থ আন্দ্রে ইনিয়েস্তা।

জিদান, রোনাল্ডোকে ছাপিয়ে মেসিই হলেন বিশ্ব ফুটবলের প্রথম তারকা যিনি টানা চার বার ফিফার বর্ষসেরা ফুটবলার হলেন। ৯১ গোল করে দুহাজার বারো শেষ করেছিলেন মেসি।চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এক মরসুমে সর্বোচ্চ গোল করারও নজির গড়েছিলেন তিনি। তাই ব্যালন ডি অর পাওয়ার জন্য মেসিই ছিলেন যোগ্যতম ফুটবলার।

টানা চারবার বিশ্বসেরা হওয়ার পর উচ্ছ্বাস চেপে রাখতে পারেননি পঁচিশ বছরের এই কিংবদন্তি ফুটবলার। বিশ্বসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁর সমস্ত সতীর্থদের ধন্যবাদ জানান মেসি।তাঁর পরিবারকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন ফুটবলের নয়া রাজপুত্র। মাত্র পঁচিশ বছরেই চারটে ব্যালন ডি অর মেসির ট্রফি ক্যাবিনেটে। ফুটবলের এই বিস্ময় প্রতিভা কোথায় গিয়ে থামবেন,তার উত্তর বোধহয় অজানা সবারই.....

এক নজরে ফুটবলের অস্কার ২০১২







Post Your Comment

Total Comments:1

No competition should be held with Messi`s involvement in that. Coz, He will be always in the top position of all competition. So what the others footballers will do. Magician Messi is the perfect caption for Leo Messi.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।