বাগানে করিমের প্রথম ম্যাচে জয় অধরাই

Update: November 25, 2012 21:17 IST

মোহনবাগান (১) মুম্বই এফসি (১)

মোহনবাগানের দ্বিতীয় ইনিংসের প্রথম ম্যাচটা ভাল গেল না কোচ করিম বেঞ্চারিফার। মুম্বই এফসির বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকে জিততে পারল না মোহনবাগান। ১-১ গোলে ড্র করায় সাত ম্যাচ খেলে মোহনবাগানের পয়েন্ট দাঁড়াল ১১। লিগ তালিকায় করিমের দল এখন পাঁচ নম্বরে। অথচ করিমের দলের কাছে আজ পুণে ছত্রপতি স্টেডিয়ামে লিগ তালিকায় নীচের দিকে থাকা দল মুম্বই এফসি বিরুদ্ধে পুরো তিন পয়েন্ট সংগ্রহ করে ডেম্পো ম্যাচের আগে মনোবল বাড়িয়ে রাখার। কিন্তু বিরতির পর হতাশজনক পারফরম্যান্সে মাঠেই দু পয়েন্ট ফেলে আসতে হল মোহনবাগানকে। সন্তোষ কাশ্যপের বিদায় পর অস্থায়ী কোচ হয়ে মৃদুল ব্যানার্জি যেভাবে দলের খেলাকে বদলে দিয়ে ছিলেন, করিম কোচ হওয়ার পর প্রথম ম্যাচে সেই বদল ধরা পড়ল না। বরং হঠাত্‍ করে খেলা থেকে হারিয়ে যাওয়ার যে রোগটা কাশ্যপের জমানায় ছিল এদিনও তাই হল।

ম্যাচের ২১ মিনিটে ফ্রিকিক থেকে ওডাফার গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর যে ম্যাচটা দেখে মনে হচ্ছিল তিন পয়েন্ট প্রায় নিশ্চিত, সেই খেলাতেই হঠাত্‍ হারিয়ে গিয়ে গোল খেয়ে বসল করিমের দল। মুম্বই এফসির হয়ে গোল করলেন পরিবর্ত হিসাবে নামা অভিষেক যাদব। এবার মোহনবাগানের সামনে আরও দুটো অ্যাওয়ে ম্যাচ। খাতায় কলমে সবচেয়ে সহজ অ্যাওয়ে ম্যাচে করিমের দল যা খেলল তাতে আগামী দুটো (ডেম্পো, পুণে এফসি) নিয়ে ভয় এখন থেকেই শুরু হয়ে গেল। মোহনবাগানের পরের ম্যাচ ২৮ নভেম্বর গোয়ার মাটিতে ডেম্পোর বিরুদ্ধে।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।