শাস্তি তুলে নেওয়ার আবেদন ওডাফাদের, মন খারাপ কোয়েভারম্যান্সের

Update: January 7, 2013 22:25 IST

আই লিগ থেকে মোহনবাগানের নির্বাসন তুলে নেওযার জন্য ফেডারেশন সভাপতির কাছে আবেদন করলেন কোচ-ফুটবলাররা। কোচ করিম বেঞ্চিরিফা সহ টোলগে-ওডাফাদের সই করা আবেদনপত্র ফেডারেশন দপ্তরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
  
আবাসিক শিবির মোহনবাগান দল এই মুহূর্তে দুর্গাপুরে রয়েছেন। ফুটবলারদের আশা তাদের দিকটি নিশ্চয়ই বিবেচনা করবেন ফেডারেশন কর্তারা।

এদিকে মোহনবাগানের আই লিগ থেকে নির্বাসনের শাস্তি হওয়ায় মন খারাপ জাতীয় দলের কোচ উইম কোভারম্যান্সের। ভারতের অন্যতম সেরা ক্লাব শাস্তি পাওয়ায় আক্ষেপ জানালেন কোয়েভারম্যানসের। ওডাফা,টোলগে,নবির মত ফুটবলাররার দেশের সেরা টুর্নামেন্টে খেলতে পারছেন না। ডাচ কোচও মানছেন,আই লিগ থেকে নির্বাসন যথেষ্ট কঠিন শাস্তি।

তবে কোয়েভারম্যানস মনে করিয়ে দিচ্ছেন সবাইকেই আইন মেনে চলতে হয়। আইনের উর্দ্ধে কেউই যেতে পারেন না। কয়েকদিন পরেই এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপের জন্য যোগ্যতানির্ধারনী পর্বের ম্যাচ খেলতে হবে ভারতকে। সেখানে সুনীলদের প্রতিপক্ষ হল মায়ানমার,চাইনিজ তাইপেইয়ের মত দল। টুর্নামেন্টে ভাল ফল করার ব্যাপারে আশাবাদী কোয়েভারম্যানস। নেহরু কাপের প্রসঙ্গ তুলে ডাচ কোচ বলেন,নেহরু কাপে সব দলের র‌্যাঙ্কিংই ভারতের থেকেও ভাল ছিল। তা সত্বেও ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। যা ভারতীয় ফুটবলারদের শক্তি আর মানসিকতার পরিচয় দেয়। তবে এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপের আগে আগামী ৬ ফ্রেবুযারী প্যালেস্টাইনের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ নিয়েই ভাবছেন ডাচ কোচ।








Post Your Comment

Total Comments:1

Every individuals is realizing the situation expect the three-four non sense officials .

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।