মোহনবাগানের ভাগ্য খোলে কি না তার জবাব ১৫ জানুয়ারি

Update: January 3, 2013 21:56 IST

চলতি আই লিগে মোহনবাগান খেলার সুযোগ পাবে কিনা কিংবা মোহনবাগানের শাস্তি কমবে কিনা,সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে ১৫ জানুয়ারি। সেদিন রাজধানীতে বসছে ফেডারেশনের কার্যকরী সমিতির বৈঠক। কয়েকদিন আগেই নির্বাসনের বিরুদ্ধে ফেডারেশনের কার্যকরী সমিতিতে আপিল করেছিলেন মোহনবাগানের কর্তারা। সেই বৈঠকে মোহনবাগানের শাস্তির বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে ফেডারেশনের সর্বোচ্চ কমিটি।

তাদের আবেদন মেনে ফেডারেশন কার্যকরী সমিতির বৈঠক ডাকায় কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মোহনবাগানের শীর্ষকর্তা দেবাশিস দত্ত। মোহনবাগান কর্তাদের আশা ফেডারেশনের কাছে সুবিচার পাবেন তারা। কার্যকরী সমিতির বৈঠকের কারণে আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে ৯ জানুযারীর আই লিগের কোর কমিটির বৈঠক।

মোহনবাগানের শাস্তি নিয়ে সরব ডেম্পোর ফুটবলাররাও: তিন বছরের জন্য আই লিগ থেকে নির্বাসিত মোহনবাগান। শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবটির শাস্তিতে সরব হয়েছে বাংলার ফুটবল মহল। কলকাতায় আই লিগের ম্যাচ খেলতে এসে মোহনবাগানের শাস্তি নিয়ে সরব হলেন ডেম্পো কোচ-ফুটবলাররাও। পনেরোই জানুযারি বসছে কার্যকরী সমিতির বৈঠক। সবাই এখন তাকিয়ে আছে সেই বৈঠকের দিকেই।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।