ধোনি মজে সিনেমা, বাইক আর ভক্তিতে

Update: March 9, 2013 19:06 IST

সময়টা এখন দারুণ যাচ্ছে মহেন্দ্র সিং ধোনির। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ২-০ এগিয়ে থাকা, ব্যাট হাতে ডাবল সেঞ্চুরির পর এখন ছুটি কাটাচ্ছেন ধোনি। তৃতীয় টেস্ট শুরু হতে এখনও কয়েকটা দিন বাকি এর মাঝে ধোনি বেশ মজায় ছুটি কাটাচ্ছেন। ধোনির বন্ধুরা জানালেন, মাহি এখন ছুটিতে জমিয়ে সিনেমা দেখছেন। পরিবারের লোকেদের সঙ্গে চুটিয়ে গল্পগুজব করছেন। বন্ধুদের সঙ্গে বাইকও চালাচ্ছেন। তবে ছুটির ফাঁকে ক্রিকেট নিয়ে কোনও প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন না।

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় টেস্ট শুরু হতে বেশ কয়েক দিন বাকি আছে। তাই অবসর সময়টা পরিবারের সঙ্গে কাটাচ্ছেন ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। তৃতীয় টেস্ট শুরু হওয়ার আগে রাঁচির দেওরি মন্দিরে গিয়ে পুজো দিয়ে আসলেন ধোনি। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী সাক্ষিও। প্রায় আধঘণ্টা ধরে তিনি মন্দিরে ছিলেন। ভক্তিভরে এদিন তিনি মন্দিরে পুজো দেন। ইতিমধ্যেই ধোনির আসার খবর পেয়ে ধীরে ধীরে ভিড় জমতে শুরু করে ধোনি অনুগামীদের। সময় যত এগিয়েছে ততই ভিড় বেড়েছে। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ার আগে ধোনির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা রক্ষীরা তাঁকে মন্দির থেকে বের করে নিয়ে যান।



অসিদের পর্যুদস্ত করার পাশাপাশি নিজের টেস্ট কেরিয়ারে প্রথম দ্বিশতরান করে সমালোচকদের জবাব দিয়েছেন ধোনি। সম্প্রতি সৌরভ গাঙ্গুলিকে টপকে টেস্টে ভারতের সফলতম অধিনায়ক হয়ে উঠেছেন তিনি। মোহালিতে ১৪ তারিখ থেকে আরম্ভ হচ্ছে তৃতীয় টেস্ট।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।