সৌরাষ্ট্রকে উড়িয়ে ভারতসেরা সচিনরা

Update: January 28, 2013 20:29 IST

দু বছর পর ফের রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন হল মুম্বই। এই নিয়ে ৪০বার চ্যাম্পিয়ন হল তারা। মেগা ফাইনালে সৌরাষ্ট্রকে ইনিংস আর ১৮৫ রানে হারিয়ে দেন সচিন তেন্ডুলকররা। ওয়াংখেড়েতে তৃতীয় দিনেই জয় নিশ্চিত করে ফেলে মুম্বই। সৌরাষ্ট্রের ১৪৮ রানের জবাবে মুম্বইয়ের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩৫৫ রানে। ২০৭ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে সৌরাষ্ট্র।

ধবল কুলকার্নি আর অজিত আগরকরের পেস বোলিংয়ের দাপটে মাত্র ৮২ রানে গুটিয়ে যায় সৌরাষ্ট্রের দ্বিতীয় ইনিংস। কুলকার্নি পাঁচ উইকেট আর অধিনায়ক আগরকর চার উইকেট পান। এই নিয়ে ৪৪ ফাইনালে উঠে  ৪০ রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন হল মুম্বই। আটবার রঞ্জিজয়ী দলের সদস্য হলেন ওয়াসিম জাফর। এই বছর রঞ্জি ট্রফির পাশাপাশি বোর্ডের অনূর্ধ্ব ষোলো আর অনূর্ধ্ব পঁচিশ টুর্নামেন্টেও সেরা হয়েছে মুম্বই। ঘরোয়া  ক্রিকেটে মুম্বইয়ের দাপট অব্যাহত থাকলেও ভারতীয় টেস্ট দলে মুম্বই থেকে সাম্প্রতিককালে সচিন আর জাহির ছাড়া কাউকেই খেলতে দেখা যায় না। এবার ছবিটা বদলানোর আশায় মুম্বই কর্তারা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।