অলিম্পিকে না যাওয়ার হুমকি দিলেন ক্ষুব্ধ লিয়েন্ডার

Update: June 20, 2012 21:02 IST

ভারতীয় টেনিসে ডামাডোল তুঙ্গে। মহেশ ভূপতি, রোহন বোপান্না পর এবার বেঁকে বসলেন লিয়েন্ডার পেজ। জুনিয়ারদের সঙ্গে খেলতে নারাজ তিনি। এমনকি তাঁর দাবি মানা না হলে লন্ডন অলিম্পিকে না খেলারও প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়েছেন তিনি। এই ডামাডোলের মধ্যে অলিম্পিকের দল ঘোষণা একদিন পিছিয়ে দিয়েছে এআইটিএ।

মহেশ ভূপতি,রোহন বোপান্নার চাপ সৃষ্টির কৌশলে যথেষ্ট ক্ষুব্ধ ভারতের এক নম্ব টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ। এদিন সরাসরি জুনিয়রদের সঙ্গে অলিম্পিকে জুটি বাঁধার প্রস্তাব খারিজ করেছেন তিনি। এমনকি লন্ডনে দু`টো দল পাঠানো নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন লিয়েন্ডার। তাঁর দাবি মানা না হলে লন্ডন অলিম্পিক থেকেও সরে দাঁড়ানোর প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়েছেন ভারতের এই টেনিস তারকা। লিয়েন্ডারের এই হুমকির পর আরও অস্বস্তিতে পরে যায় অল ইন্ডিয়া টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের কর্তারা। যার ফলে দল ঘোষণা একদিন পিছিয়ে দেওযার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। বৃহস্পতিবার দুপুর দু`টোয় চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবে এআইটিএ।

দেশের স্বার্থে অতীতের বিরোধ ভুলে গিয়ে ভূপতির সঙ্গে জুটি বাঁধতে রাজি হয়েছিলেন লিয়েন্ডার। কিন্তু মহেশ ভূপতি প্রথম থেকেই লিয়েন্ডারের সঙ্গে খেলতে অস্বীকার করেন। পরবর্তীকালে ভূপতির পথ ধরেন বোপান্নাও। দু`জনেই লিয়েন্ডারের সঙ্গে জুটি বাঁধতে অস্বীকার করার পর প্রাথমিকভাবে লন্ডনে দুটো দল পাঠাবার কথা ভেবেছিলেন এআইটিএ কর্তারা। সেক্ষেত্রে লিয়েন্ডারকে খেলতে হত বিষ্ণু বর্ধন অথবা ইউকি ভামরির সঙ্গে। ভারতীয় টেনিসের এই দুই উজ্জ্বল নক্ষত্রের ইগোর লড়াই অলিম্পিকের আগে বার্তা দিচ্ছে ক্রীড় মহলে কী বার্তা দিচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ইতিমধ্যেই।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।