শিল্ডে মুক্তিযোদ্ধার পরিবর্তে ওএনজিসি

Update: March 5, 2013 21:46 IST

অবশেষে জটিলতা কাটল আইএফএ শিল্ড নিয়ে। বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধার পরিবর্তে শিল্ডে খেলছে ওএনজিসি। মোহনবাগানের দাবি মেনে সোমবার বিকেলে লটারিও হল আইএফএ অফিসে। লটারিতে অবশ্য পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি। সাপ্রিসা থাকছে মোহনবাগানের গ্রুপেই। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গলের গ্রুপে থাকছে ওএনজিসি। স্বচ্ছতা রাখতেই লটারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইএফএ সচিব। লটারি করে গ্রুপের দল নির্ধারণ হওয়ায় খুশি মোহনবাগান কর্তারাও।

এদিকে কলকাতায় আইএফএ শিল্ড খেলতে এসে বাঙালি খাবারে মজেছেন কোস্টারিকার সাপ্রিসা দলের ফুটবলাররা। মাঠ আর মাঠের বাইরে বিদেশি দলটির নিয়মানুবর্তিতা আর শৃঙ্খলা নজর কেড়েছে সবার। তবে খাবার টেবিলে বাঙালি খাবারের মোহ কিছুতেই ছাড়তে পারছেন না সাপ্রিসা দলের ফুটবলাররা। সবচেয়ে বেশি তাদের মন টেনেছে মাছের পদগুলো।

 
আইএফএ শিল্ডের প্রথম ম্যাচ কোস্টারিকাকে খেলতে হবে যুবভারতীর ফিল্ডটার্ফে। তা নিয়ে অবশ্য কোনও অসন্তোষ নেই তাদের। কেননা কোস্টারিকাতেও অধিকাংশ মাঠই ফিল্ডটার্ফের। তবে যুবভারতীতে একদিনও অনুশীলন করতে না পেরে কিছুটা অসন্তুষ্ট বিদেশি দলটি। 


Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।