অভিনব সংগ্রহশালা: ব্লেডস অফ গ্লোরি

Update: May 26, 2012 22:41 IST

ব্লেডস অফ গ্লোরি নামটির মধ্যেই যেন লুকিয়ে আছে দুষ্প্রাপ্য জিনিসের এক বিশেষ সম্ভার। হ্যাঁ ঠিকই, দুষ্প্রাপ্য জিনিসেরই সম্ভার বটে। ক্রিকেটের যাবতীয় স্মৃতি বিজড়িত স্মারক নিয়ে এই মিউজিয়াম গড়ে তুলেছেন রোহন পাতে নামে এক পুণের ক্রিকেটপ্রেমী।

সচিন তেন্ডুলকরের ব্যাট দিয়ে শুরু। রোহন ধীরে ধীরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারের কাছ থেকে স্মারক নিয়ে গড়ে তুলেছেন ক্রিকেটের এই মিউজিয়াম। কিংবদন্তী  ক্রিকেটার ভিভিয়ান রিচার্ডসের সোয়েটার, ম্যালকম মার্শালের টুপি, মুরলিথরনের আটশো উইকেটের রেকর্ড গড়া টেস্টের টি-শার্ট সাজিয়ে রেখেছেন একটি ঘরে। কোনও ঘরে সাজানো আছে বিখ্যাত টেস্ট ক্রিকেটারদের জিনিসপত্র। কোথাও আবার রেখেছেন প্রতিটি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যদের স্বাক্ষর করা ব্যাট। মিউজিয়ামে আছে কেরি প্যাকার সিরিজের ক্রিকেটীয় সরঞ্জামও।

তবে একটু আলাদা করেই সাজিয়ে রেখেছেন সচিনের ব্যবহার করা বিভিন্ন ধরনের ব্যাট।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।