সম্মতি মিললে মঙ্গলবারই মেডিক্যাল পরীক্ষা পিঙ্কির

Update: June 18, 2012 23:09 IST

আদালত অনুমতি দিলে, মঙ্গলবারই সম্ভবত মেডিক্যাল পরীক্ষা হবে পিঙ্কি প্রামাণিকের। সোমবার একথা জানিয়েছেন উত্তর চব্বিশ জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুকান্ত শীল। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে পিঙ্কি প্রামাণিকের মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য সাত সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোড গঠন করা হয়েছে।

এই বোর্ডে মেডিসিন, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ এবং মনরোগ বিশেষজ্ঞসহ বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিত্‍সকদের রাখা হয়েছে। বোর্ডের প্রধান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিজে। আদালতকে সেই রিপোর্টও পাঠানো হয়েছে। এখন শুধু আদালতের সবুজ সঙ্কেত পাওয়ার অপেক্ষা।

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস ও ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে জাতীয় পর্যায়ের অ্যাথলিট পিঙ্কি প্রামাণিককে।

এর আগে, আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে টাকা দিয়ে মেডিক্যাল পরীক্ষা `সামলে` নিতেন জাতীয় অ্যাথলিট পিঙ্কি প্রামাণিক। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন তেঘরিয়ার বাসিন্দা এক মহিলা। তাঁর দাবি, পিঙ্কি যে ছেলে, সে বিষয়টি জানতেন অনেক ক্রীড়া ব্যক্তিত্বই। বৃহস্পতিবারই পিঙ্কি প্রামাণিকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস এবং ধর্ষণের অভিযোগ করেন ওই মহিলা। রাতে পিঙ্কিকে গ্রেফতার করে পুলিস।

শুক্রবার পিঙ্কিকে বারাসত আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে সিএমওএইচের নেতৃত্বে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে পিঙ্কির মেডিক্যাল পরীক্ষা করাতেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার একটি বেসরকারি হাসপাতালে পিঙ্কির পরীক্ষা হলেও সরকারি হাসপাতালে মেডিক্যাল বোর্ডের সামনে পরীক্ষায় আপত্তি জানান পিঙ্কি। তবে বেসরকারি হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, পিঙ্কি আসলে পুরুষ।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।