পৈলানকে হারিয়ে প্রয়াগ এখন সেকেন্ড বয়

Update: November 18, 2012 17:22 IST

প্রয়াগ ইউনাইটেড (২) পৈলান অ্যারোজ (১)
ভারতীয় ফুটবলে কলকাতারা ক্লাবদের সুদিন ফিরল কি? সেসব প্রশ্নকে কিছুটা খুঁচিয়ে দিল রবিবার যুবভারতীর ম্যাচের ফল। পৈলান অ্যারোজকে ২-১ গোলে হারিয়ে আই লিগে পয়েন্ট তালিকায় দু নম্বরে উঠে এল প্রয়াগ ইউনাইটেড। ষষ্ঠ রাউন্ডের শেষে শীর্ষে আছে ইস্টবেঙ্গল। অর্থাত্‍, আই লিগের পয়েন্ট তালিকায় এখন প্রথম দুটো স্থানে আছে কলকাতার দুই ক্লাব। বেশ কয়েক বছর ধরে যা দেখা যাচ্ছে না।

নতুন কোচের হাত ধরে আই লিগে প্রয়াগ ইউনাইটেডের বিজয়রথ দারুণ গতিতে ছুটছে। ভাইচুং ভুটিয়ার ক্লাবকে দশ গোলে হারানোর পরের ম্যাচেই র‌্যান্টিদের জয়টা অবশ্য সহজে এল না। লালকমল ভৌমিকের শেষ মুহূর্তের গোলে রবিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন থেকে তিন পয়েন্ট নিয়ে ফিরল এলকো স্যাতোরির দল। ম্যাচের ১২ মিনিটে ভিনিথের গোল এগিয়ে যায় প্রয়াগ। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে কিছুটা খেলার গতির বিরুদ্ধে পৈলান অ্যারোজকে সমতায় ফেরান নারায়ন দাস। ম্যাচ শেষের দু`মিনিট আগে লালকমল ভৌমিকের গোলে জয় ছিনিয়ে আনে প্রয়াগ।

আই লিগে এখন কে কোথায় (ষষ্ঠ রাউন্ডের শেষে)--
১) ইস্টবেঙ্গল (১৪ পয়েন্ট)
২) প্রয়াগ ইউনাইটেড (১৩ পয়েন্ট)
৩) ডেম্পো ( ১৩ পয়েন্ট)
৪) চার্চিল ব্রাদার্স (১২ পয়েন্ট)
৫) মোহনবাগান (১০ পয়েন্ট)
৬) পুণে এফসি (৫ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট)
৭) পৈলান অ্যারোজ (৮ পয়েন্ট)
৮) শিলং লাজং (৭ পয়েন্ট)
৯) মুম্বই এফসি (৬ পয়েন্ট)
১০) সালগাঁওকর (৫ পয়েন্ট)
১১) ওএনজিসি (৫ পয়েন্ট)
১২) স্পোর্টিং ক্লাব (৪ পয়েন্ট)
১৩) সিকিম ইউনাইটেড (৪ পয়েন্ট)
১৪) এয়ার ইন্ডিয়া (৩ পয়েন্ট)






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।