বাংলা থেকে ম্যানচেস্টার: বিতর্কে সেই রেফারি

Update: March 6, 2013 21:54 IST

ফুটবলের বয়স যত বাড়ছে ততই রেফারি বিতর্কের ভূত তত বাড়ছে। বিশ্বের দুই প্রান্তের দুই ফুটবল প্রতিযোগিতায় রেফারিং নিয়ে বড় বিতর্ক বাঁধল। একটা বাঁধল বিশ্বের সেরা ক্লাব প্রতিযোগিতায় আর অন্যটা বাঁধল রুগ্ন ঐতিহ্যের প্রতীক আইএফে শিল্ডে।

আসুন দেখেনি কীভাবে রেফারি বিতর্ক মিলল বাংলা থেকে ম্যানচেস্টার--


ঘটনা ১-- চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়াল বনাম ম্যান ইউয়ের মত হাইপ্রোফাইল ম্যাচে রুনি-রোনাল্ডোদের ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রেফারি ক্যাকির। রেফারিংয়ে বিরক্ত হয়ে ম্যাচ শেষে সাংবাদিক সম্মেলনেই এলেন না ম্যান ইউ কোচ অ্যালেক্স ফার্গুসন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায়ের পর সাংবাদিক সম্মেলন করেন ম্যান ইউয়ের সহকারি ম্যানেজার মাইক ফেলান। নানির লালকার্ডের সিদ্ধান্তে হতাশ গোটা ম্যান ইউ শিবির।

সাংবাদিক সম্মেলনে এসে সেকথাই বলে যান রুনিদের সহকারি ম্যানেজার। নানি লালকার্ড দেখে বেরিয়ে যাওয়ার আগে পর্যন্ত ম্যাচের দখল ছিল ম্যান ইউয়ের হাতে।এক গোলে এগিয়েও ছিল তারা। কিন্তু রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পরই ম্যাচ থেকে হারিয়ে যায় রেড ডেভিলরা।


ঘটনা ২-- ইস্টবেঙ্গল-ওএনজিসি ম্যাচে রেফারি অ্যান্ড্রু শেখরের রেফারিং প্রশ্নের মুখে। তবুও রেফারিংকে ভিন্ন সুর দুই কোচের। ম্যাচ হারের পর ওএনজিসি কোচ সন্তোষ কাশ্যপ একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিলেন রেফারিংয়ের বিরুদ্ধে। তবে ম্যাচ জয়ের পর রেফারিং নিয়ে কোনও অভিযোগ আনলেন না ইস্টবেঙ্গল কোচ। শিল্ড যত এগোচ্ছে ততই বাড়ছে রেফারিং নিয়ে বিতর্কও।




Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।