শিল্ডে খেলতে চায় রাশিয়ার চ্যাম্পিয়ন ক্লাব

Update: February 3, 2013 21:33 IST

আই এফ এ শিল্ডে খেলার ইচ্ছাপ্রকাশ করল রাশিয়ার চ্যাম্পিয়ন ক্লাব রুবিন কাজান। গত চার বছরের মধ্যে তিন বছর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলেছে রাশিয়ার এই দলটি। চলতি মরসুমে ইউরোপা কাপের দ্বিতীয় পর্যায়েও পৌঁছেছে তারা। আইএফএ শিল্ডের সময় তাদের কোনও খেলা নেই। রাশিয়া বরফে ঢাকা থাকে সেই সময়। তাই দলকে খেলার মধ্যে রাখতে কলকাতায় খেলতে চায় রাশিয়ার চ্যাম্পিয়ন ক্লাবটি।
 

রাশিয়ার চ্যাম্পিয়ন ক্লাবটি কলকাতায় খেলতে এলে,তা ফুটবলের শহরের কাছে বিরাট প্রাপ্তি হবে বলে মনে করছেন আইএফএ সচিব। রুবিন কাজান ছাড়াও আইএফএ শিল্ডে খেলার জন্য সার্বিয়ার চ্যাম্পিয়ন ক্লাব রেড স্টার আর নিউজিল্যান্ডের প্রথম সারির একটা দলের সঙ্গেও কথাবার্তা  চালাচ্ছেন আইএফএ সচিব উতপল গাঙ্গুলি।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।