বড় ব্যবধানে জয়, লিগ তালিকার শীর্ষে ভারত

Update: February 18, 2012 23:52 IST

অলিম্পিকের যোগ্যতাঅর্জনকারী পর্বের প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় পেল ভারত। দিল্লিতে সিঙ্গাপুরকে ১৫-১ গোলে হারিয়ে দিলেন ভরত ছেত্রীরা। ৩ গোল করে ম্যাচের সেরা হয়ে গুরবিন্দর সিং চাঁদি।

অলিম্পিকের যোগ্যতাঅর্জনকারী পর্বের প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় পেল ভারত। দিল্লিতে সিঙ্গাপুরকে ১৫-১ গোলে হারিয়ে দিলেন ভরত ছেত্রীরা। বেজিং অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি ভারতীয় হকি দল। তাই লন্ডনের ছাড়পত্র পেতে মরিয়া সন্দীপ সিংরা। খেলা শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই গুরবিন্দর সিং চাঁদি আর সরদারা সিংয়ের গোলে এগিয়ে যায় ভারত। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি নবসের দলকে।

প্রথমার্ধে ৬-০ গোলে এগিয়ে ছিল ভারত। দ্বিতীয়ার্ধে আরও ৯টি গোল করে তারা। দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোল করতে সক্ষম হয় সিঙ্গাপুর। গোটা ম্যাচে অনবদ্য পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচের সেরা হয়েছেন গুরবিন্দর সিং চাঁদি। ঘরানা পরিবর্তন করে নবস যেভাবে দলকে প্রস্তুত করেছিল তারই প্রতিফলন ঘটল শনিবার। বড় ব্যবধানে জয়ের ফলে লিগ তালিকার উপরে থাকল ভারত।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।