সবাইকে কাঁদিয়ে ২২গজকে বিদায় জানালেন ক্রিকেটের হ্যামলিনের বাঁশিওয়ালা, অবসর নিল সিকি দশকের রূপকথা

হ্যামলিনের বাঁশিওলায়ার মতো তাঁর ব্যাট। সিকি দশক মোহিত করেছে বিশ্বকে। মুম্বইয়ে, তাঁর আরাধ্য পিচে আজ নতজানু হয়ে বিদায় চেয়ে নিলেন ক্রিকেট থেকে। ঝরে পড়ল ক্রিকেট-রূপকথার শেষ পাতা। 

Updated: Nov 16, 2013, 07:04 PM IST

হ্যামলিনের বাঁশিওলায়ার মতো তাঁর ব্যাট। সিকি দশক মোহিত করেছে বিশ্বকে। মুম্বইয়ে, তাঁর আরাধ্য পিচে আজ নতজানু হয়ে বিদায় চেয়ে নিলেন ক্রিকেট থেকে। ঝরে পড়ল ক্রিকেট-রূপকথার শেষ পাতা। 
কেন চোখের জলে ভিজিয়ে দিলেম না... এই আক্ষেপ তাঁকে করতে হবে না। তাঁরই চোখের জলে ভিজে গেল আসমুদ্র হিমাচল।
২৯ বছরের ক্রিকেট জীবন। ২৪ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। সকাল-সন্ধ্যাবেলা কত মধুর খেলাই না দেখল ক্রিকেট-বিশ্ব। এমন গৌরবগাথা তৈরি করে গেলেন, যে তা দেখলে মনের মধ্যে এক ইন্দ্রজাল তৈরি হয়। 
 
সেই এগারো বছর বয়স থেকে ক্রিকেটের সঙ্গে তাঁর সহবাস।  বাবার উপদেশ, মায়ের আদর, আর কোচ আজিত ও কোচ আচরেকরের হাত ধরে  যে বাইশগজে প্রবেশ, আজ তার পূর্ণচ্ছেদ। বিখ্যাত ক্রিকেট লিখিয়ে পিটার রোবক একবার লিখেছিলেন, শচীন ভারতীয় সময়কেও থমকে দিতে পারে। সে এক ক্রিকেট ম্যাচের তুলনা টেনে। শনিবারও তো থমকে দিলেন সময়কে।  তখন তাঁর ব্যাটের যাবতীয় আলোকরশ্মি যেন তাঁর  শব্দে। তাঁর উচ্চারণে। তাঁর শরীরের ভাষায়।
বলতে ভুললেন না, ক্রিকেট তিনি শুধু একা খেলেননি, তাঁর সঙ্গে খেলেছে গোটা দেশ।
 
সিকি শতাব্দী জুড়ে ক্রিকেটের এমন অপর্ব আখ্যান লিখে তিনি বিশ্রাম নিতে গেলেন। তিনি, আমাদের শচীন রমেশ তেন্ডুলকর। রূপকথার শেষ পাতা।