মুম্বই ক্রিকেটে সচিন পুত্রের ইনিংস শুরু

Update: January 10, 2013 17:37 IST

ক্রিকেটের একটা অধ্যায় থেকে বাবার ইনিংস শেষ হয়েছে, এবার পালা শুরু ছেলের। সচিন তেন্ডুলকরের ছেলে অর্জুন তেন্ডুলকর দেশের প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে পা দিয়ে দিলেন। মুম্বইয়ের অনুর্ধ্ব ১৪ দলে অর্জুনকে সুযোগ দেওয়া হল।

ভারতীয় দলের নেটে বাবার সঙ্গে অনুশীলন করলেও এদিন অর্জুন সীমাবদ্ধ ছিলেন স্কুল ক্রিকেটেই। এবারই প্রথম সচিন পুত্রকে দেখা যাবে দেশের কোনও ক্রিকেট প্রতিযোগিতায়। পশ্চিমাঞ্চলের এক লিগে আমেদাবাদে গিয়ে খেলবে অর্জুন। মূলত অলরাউন্ডার হিসাবেই দলে রাখা হয়েছে সচিন পুত্রকে।

অনুর্ধ্ব চোদ্দ দলের জন্য ট্রায়ালে মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের হয়ে শতরান করে অর্জুন। পাশাপাশি বাঁহাতি পেসার হিসাবেও নজর কাড়ে। তারপরই মুম্বই অনুর্ধ্ব চোদ্দ দলের জন্য অলরাউন্ডার হিসাবে তাকে বেছে নেওয়া হয়।






Post Your Comment

Total Comments:3

we r waiting for ur innings

good luck arjun.

come on Arjun....fight for india as like ur father.we r waiting for ur contribution for Indian team.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।