ইডেনে সচিনের রাজকীয় সংবর্ধনা আজ

Update: May 12, 2012 10:54 IST

সচিনের শততম শতরানের জন্য আজ ইডেনে রাজকীয় সম্বর্ধনার আয়োজন করছে সিএবি। সংবর্ধনার মূল আকর্ষণ সনাতন দিন্দার আঁকা ছবি। সনাতন দিন্দার ছবির পাশাপাশি সচিনের হাতে ধুতি এবং তাঁর স্ত্রী অঞ্জলির হাতে শাড়ি তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক তেমনি ১০০টি গিনি দিয়ে মাস্টার ব্লাস্টারকে সম্বর্ধনার ব্যবস্থা থাকছে। সচিনের প্রতিকৃতিকে ঘিরে থাকবে এই ১০০টি গিনি। কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স-এর ম্যাচের আগে হবে এই সচিন-বন্দনা অনুষ্ঠান।

তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান চলাকালীন ভারতীয় ক্রিকেটের মহানায়ককে সম্মান জানানোর জন্য হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টির পরিকল্পনা বাতিল করেছে সিএবি। মাঠ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ভেবে সচিনকে জিপে তুলে ইডেন চক্কর দেওয়ার পরিকল্পনাও বাতিল করেছেন সিএঐবি-কর্তারা। বৃহস্পতিবার সিএবির ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে সচিনের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান সূচি ঠিক করা হয়। শনিবার ম্যাচের আগে ৩ থেকে ৩টে ১৩ মিনিট পর্যন্ত চলবে সচিন-বন্দনা অনুষ্ঠান। সচিনের সম্বর্ধনার জন্য কলকাতা জুড়ে মোট ১০০টি কাট আউট লাগানো হয়েছে। দর্শকদের জন্য সচিনের ৬,৪০০ পোস্টারও তৈরি করা হয়েছে।

শুধুমাত্র সিএবিই নয়, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকেও রাজকীয় সম্বর্ধনা দেওয়া হচ্ছে সচিন তেন্ডুলকরকে। রাজ্য ক্রীড়া দফতর থেকে সোনার ব্যাট ও বল দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। এদিকে ইডেন সংস্কারের পর নতুন রূপের স্টেডিয়ামের  উদ্বোধন সচিনকে দিয়ে করানোর ইচ্ছা ছিল সিএবির। কিন্তু সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে এই অনুষ্ঠানের জন্য।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।