হাতির পায়ে পিষে গেল সাইনার বিজয় রথ

Update: March 9, 2013 20:17 IST

অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টনে সাইনা নেহওয়ালের সোনালী দৌড় থেমে গেল। চিনের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠার পর সাইনা হারলেন তাইল্যান্ডের রাতচানোক ইন্টাননের বিরুদ্ধে। শনিবার ভারতের ব্যাডমিন্টন রানি হারেন ১৫-২১, ১৯-২১। সাইনাকে দেখে মনে হচ্ছিল তিনি তাঁর যাবতীয় শক্তি কোয়ার্টার ফাইনালেই শেষ করে দিয়েছেন। এদিন সাইনার ম্যাচ দেখতে হাজির ছিলেন বেশ কয়েকজন তাই সুন্দরী সমর্থক। তাদের হাতে ছিল তাইলান্ডের জাতীয় পশু হাতির ছবি। সেই ছবির নীচে লেখা হাতির পা পিষে দাও সাইনার বিজয়রথ। বাস্তবেও কিছুটা তাই হল।

অথচ কোয়ার্টার ফাইনালে চিনের একমাত্র শক্ত প্রতিপক্ষ শিজিয়াং ওয়াঙ্গকে ম্যারাথন ম্যাচে হারানোর পর সাইনাকে নিয়ে খেতাবের স্বপ্ন দারুণভাবে দেখা শুরু হয়েছিল। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ষষ্ঠ বাছাই ওয়াঙ্গকে ২৩-২১, ১৯-২১, ২১-১৬ গেমে হারিয়ে দেন এই হায়দরাবাদী তারকা। ওয়াঙ্গ সাইনার কাছে হেরে যাওয়ার ফলে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে  গেল চিনের মহিলা দল। যার ফলে চ্যাম্পিয়ন হওয়া পথ সহজ হতে পারে সাইনার। এমনটাই মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু শনিবারের অবাক হার সব স্বপ্ন ভেঙে দিল। পুরুষদের বিভাগে চিনের লং চেনের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছেন ভারতের পারুপল্লি কাশ্যপও।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।