ব্রোঞ্জ জিতলেন সাইনা

Update: August 4, 2012 18:55 IST

ব্যাডমিন্টনে ব্রোঞ্জ জিতে লন্ডন অলিম্পিকে ভারতকে তৃতীয় পদক এনে দিলেন সাইনা নেহওয়াল। প্রথম গেমের পর দ্বিতীয় বাছাই জিং ওয়াং চোট পেয়ে কোর্ট ছাড়তেই সাইনাকে জয়ী ঘোষণা কেরন রেফারি। সেইসঙ্গে অলিম্পিকে ব্যাডমিন্টনে এই প্রথম কোনও পদক জিতল ভারত।

অবশেষে স্বপ্নপূরণ। বৃহস্পতিবার যে কোর্ট থেকে সোনা ও রূপোর স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল, সেই কোর্টেই ব্রোঞ্জ পদক ছিনিয়ে নিলেন সাইনা নেহওয়াল। এবং তাঁর হাত ধরেই অলিম্পিকে তৃতীয় পদক এল ভারতের ঘরে। ব্যাডমিন্টনে মহিলাদের সিঙ্গলসে ব্রোঞ্জ পেলেন সাইনা। তৃতীয় স্থান নির্ধারণীর প্রথম গেমের শেষদিকে চিনা প্রতিদ্বন্দ্বী জিং ওয়াংয়ের পেশিতে টান ধরে । তখন ১৮-২০-তে পিছিয়ে সাইনা। শ্রূশ্রুষার পর কিছুক্ষণের মধ্যে জিং কোর্টেও ফেরেন। ফিরে প্রথম গেম ২১-১৮তে জিতেও নেন তিনি। তবে প্রথম গেম জিং ওয়াং জিতলেও লড়াইয়ে ফিরে এসেছিলেন সাইনা। টানা পাঁচটি পয়েন্ট নিয়ে কড়া চ্যালেঞ্জ দেন সাইনা। এরপর  দ্বিতীয় গেমের শুরুতে ফের পায়ে টান ধরায় জিং মাঠ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে প্রথম গেম হারলেও জিং ওয়াং অবসৃত হওয়ায় রেফারি সাইনা নেহওয়ালকে জয়ী ঘোষণা করেন। ফলে শেষ পর্যন্ত তামাম ভারতবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করে ব্রোঞ্জ পেলেন সাইনা নেহওয়াল।






Post Your Comment

Total Comments:1

CONGRATS. TO SAINA NEHWAL FOR WINING THE BRONZE MEDAL AT THE LONDON OLYMPICS. SHE HAS MADE THE INDIANS PROUD AND SET ALSO SET A RECORD AS A FIRST SHUTTLER IN THE COUNTRY TO WIN THE MEDAL AT THE OLYMPICS-GAMES.ALSO CONVEY DEEP RESPECTS TO HER PROUD -PARENTS FOR BRINGING- UP SAINA AS A SPORTSMAN WHO HAS BROUGHT A LAUREL FOR THE COUNTRY.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।