কীর্তি গড়ে `বুড়ি` সেরেনার কান্না

Update: February 16, 2013 21:53 IST

নতুন কীর্তি গড়লেন সেরেনা উইলিয়ামস। সবচেয়ে বেশি বয়সে পেশাদারি টেনিস বিশ্বে শীর্ষস্থানে ওঠার নজির গড়লেন `সুপার` সেরেনা। ৩১ বছরের সেরেনা কাতার ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে জিতে এই কীর্তি গড়লেন।
এতদিন এই রেকর্ডটা ছিল ক্রিস এভার্টের দখলে। ক্রিস ৩০ বছর ১১ মাস বয়সে এটিপি র‍্যাঙ্কিং তালিকায় এক নম্বরে উঠেছিলেন। সেরেনার আরও ছ মাস বেশি বয়সে শীর্ষস্থানে ওঠার কীর্তি গড়লেন।

পেত্রা কিতোভাকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠার পর সেরেনা যখন বুঝলেন তিনি এক নম্বরে উঠলেন তখন তিনি কেঁদে ফেললেন। পরে বললেন, এই বুড়ি বয়সেও শীর্ষে উঠব ভাবিনি।

আধুনিক পেশাদারি টেনিসের ক্রীড়াসূচির অত্যধিক চাপে এই বয়সে টেনিস খেলোয়াড়রা যখন খেলা ছেড়ে অবসর নিয়ে নেন, তখন সেরেনা শীর্ষে উঠে দেখিয়ে দিলেন কেন তাঁকে সর্বকালের সেরাদের তালিকায় উপরের দিকে রাখা হয়।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।