`টাইগার ইজ ইন লাভ`

`টাইগার ইজ ইন লাভ`

`টাইগার ইজ ইন লাভ`বিয়ের পর যৌন কেলেঙ্কারিতে জডি়য়ে গোটা বিশ্বে তিনি কলঙ্কিত নায়কে পরিণত হয়েছিলেন। কিংবদন্তি গল্ফার টাইগার বিতর্কের দুনিয়াকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ফের প্রেমে পড়ার কথা ঘোষণা করলেন। একটা ছোট টুইট। তাতে ফের টাইগার স্বীকার করলেন তিনি প্রেমে পড়েছেন। ১৪টি মেজরজয়ী এই গল্ফার লিখেছেন, টাইগার ইজ ইন লাভ। টাইগার প্রেমে পড়লেন স্কি তারকা লিন্ডসে ভনের সঙ্গে।

বিয়ের পর কাউকে না জানিয়ে বেশ কয়েকবছর ধরে একাধিক মহিলার সঙ্গে অবৈধ যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। দীর্ঘদিন পর ফাঁস হয় টাইগার অন্তত কুড়িজন মহিলার সঙ্গে (তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন পর্ন তারকা অথবা দেহব্যবসায়ী) যৌনসম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন। সেই ভিডিও ফাঁস হয়ে গেছিল। এরপর টাইগারের সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যায় তাঁর স্ত্রী এলিন নর্ডেগ্রিনের। প্রচারমাধ্যমে নিজের পাপের কথা স্বীকার করেন উডস। এরপর মনোনিবেশ করেন খেলায়।

গত জানুয়ারিতেই শোনা গিয়েছিল প্রেমের ভেলায় ভাসিয়েছেন টাইগার উডস ও লিন্ডসে ভন। যা রটে তার কিছুটা হলেও ঘটে। পেশাদার স্কিয়ার ভন অংশ নিতে গিয়েছিলেন অস্ট্রিয়ায় সালজবুর্গে আলপাইন ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে। সেখানেই হাঁটুতে গুরুতর চোট পান। দুর্ঘটনায় পায়ের হাড়েও ধরে চিড়। ঘটনার পরপরই উডসের ব্যক্তিগত জেটটাকে দেখা গেছে সালজবুর্গ বিমানবন্দরে। সেখানে গিয়েছিলেন আহত ভনকে নিয়ে যেতেই। এত দিন দুজন দাবি করেছিলেন তাঁরা স্রেফ ‘ভালো বন্ধু’। বন্ধুত্বের সীমা ছাড়িয়ে এখন দুজনে বেশ ঘনিষ্ঠ।


এরই মাঝে খুঁজে পান লিন্ডসে ভনকে। উডসের সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপারে জানাতে লিন্ডসেকেই বেশি আগ্রহী দেখাল। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘আমার মনে হয়, এটা আর গোপন নেই, হ্যাঁ, আমি টাইগার উডসের সঙ্গে ডেটিং করছি।’ যুগলের একাধিক ছবিও পোস্ট করেছেন লিন্ডসে। তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমাদের সম্পর্কের সূচনা হয়েছে বন্ধুত্ব থেকে। গত কয়েক মাস ধরে বন্ধুত্বটা রূপ নেয় আরও গভীর সম্পর্কে যা আমাকে সুখী করেছে। এর চেয়ে বেশি কিছু আর জানাতে চাই না আমি, বাকিটুকু আমাদের দুজন, পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের জন্যই থাকল। আমাদের বুঝতে পারায় এবং ক্রমাগত সমর্থন করে যাওয়ায় সবাইকে ধন্যবাদ।’

`টাইগার ইজ ইন লাভ`
‘ঠিক এই মুহূর্তে লিন্ডসে ভন ও আমার কিছু ছবি পোস্ট করলাম’ শিরোনামে টুইটারে উডস লিখেছেন, ‘এই মরসুমটা অসাধারণ কাটল আমার। টরে ও ডোরালে শিরোপা জেতায় আমি অনেক অনেক খুশি। গলফ কোর্সের বাইরে লিন্ডসের সঙ্গে পরিচয়টা আমার জন্য মঙ্গলেরই। লিন্ডসে ও আমি কিছু সময় বন্ধু ছিলাম, পরে কয়েক মাস ধরে আমরা অনেক ঘনিষ্ট হই এবং এখন ডেটিং করছি। আমাদের প্রতি সমর্থন এবং ব্যক্তিগত গোপনীতার প্রতি সম্মান দেখানোয় আপনাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। অন্য সব সাধারণ যুগলের মতো আমরাও সম্পর্কটা এগিয়ে নিতে চাই ব্যক্তিগত গোপনীতা রক্ষা করে এবং একই সঙ্গে অ্যাথলেট হিসেবেও প্রতিযোগিতায় অংশ নিব।’

নর্ডেগ্রিন-উডস দম্পতির রয়েছে চার বছর বয়সী পুত্র চার্লি ও পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে স্যাম অ্যালেক্সিস। ২০১০ সালে যৌন কেলেঙ্কারির আগে সুখেই ছিলেন নর্ডেগ্রিনকে নিয়ে। এ সময় বিশ্ব গলফ সার্কিটে কর্তৃত্বও করেছেন উডস। কিন্তু এরপর এক ঝড় সব ওলট-পালট করে দেয়। যৌন কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে উডস হারিয়েছেন মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের স্পনসরশিপ, ইনডোর্সমেন্ট।




First Published: Tuesday, March 19, 2013, 21:43


comments powered by Disqus