সবুজ-মেরুনে যোগ দেওয়ায় টোলগেকে শোকজ লাল-হলুদের

Update: May 15, 2012 20:27 IST

টোলগে ওজবেকে শোকজ করল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। অসি গোলমেশিনের বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ তুলে তাঁকে শোকজ করল ইস্টবেঙ্গল। লাল হলুদ কর্তাদের দাবি, চলতি মাসেই ক্লাবের থেকে অগ্রিম অর্থ নিয়েছেন টোলগে। সেই হিসেবে এখনও ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ তিনি। তারপরও তিনি কীভাবে জার্সি বদলে মোহনবাগানে যান, তা নিয়ে ক্ষুব্ধ ক্লাব কর্তারা।

গত মরসুমেও ইস্টবেঙ্গল ক্লাব থেকে ২৫ হাজার ডলার অগ্রিম নিয়েছিলেন টোলগে ওজবে। ঠিক ছিল, গত মরসুমের প্রাপ্য অর্থ থেকে সেই অগ্রিম অর্থ কেটে নেওয়া হবে। কিন্তু, ক্লাবের দাবি, সেই অগ্রিম অর্থ ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কাটেনি টোলগের প্রাপ্য অর্থ থেকে। অর্থাত্ সেই অর্থও টোলগের কাছ থেকে ক্লাবের প্রাপ্য। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের বক্তব্য টোলগে এখনও তাদের চুক্তিবদ্ধ ফুটবলার। তাই সোমবার মোহনবাগান সভাপতি টুটু বসুর পাশে বসে অসি গোলমেশিনের সাংবাদিক সম্মেলন করা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন লাল-হলুদ কর্তারা। ইস্টবেঙ্গল গোটা ঘটনা জানিয়ে চিঠি দিয়েছে আইএফএকে।

অন্যদিকে টোলগে জানিয়েছেন, গত মরসুমের অগ্রিম অর্থ তিনি ইস্টবেঙ্গলকে ফিরিয়ে দেবেন। কিন্তু চলতি মাসে ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে যে অগ্রিম নেওয়ার কথা উঠেছে, তা অস্বীকার করেছেন এই অসি স্ট্রাইকার। রবিবারই হ্যাট্রিক সহ ৪ গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে কেপিএল চ্যাম্পিয়ন করেন টোলগে। আর তার পরেই মোহনবাগান প্রেসিডেন্ট টুটু বোসের সঙ্গে সাংবাদিক সম্মলনে ঘোষনা করেন মোহনবাগানে যোগ দিচ্ছেন তিনি।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।