ক্ষোভের আগুন তীব্রতর বাগানে, টুটুর পাল্টা বিবৃতি

Update: January 12, 2013 21:16 IST

ক্ষোভের আগুনটা আরও গনগনে হল। আই লিগে নির্বাসনের ইস্যুতে শনিবার মোহনবাগানের ফ্যানরা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে ক্লাবের শীর্ষকর্তাদের পদত্যাগ দাবি করলেন। আই লিগ থেকে নির্বাসনের পর থেকে তাদের যে প্রতিনিয়ত যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে,তা তুলে ধরেন মোহনবাগান সমর্থকরা।

অন্যদিকে শাস্তি তুলে নেওয়ার দাবিতে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে সই সংগ্রহ অভিযান জোর কদমে চলছে। শুধু কলকাতাতেই নয়, মুম্বই, পুণে-র মত শহরেও মোহনবাগান সমর্থকরা সই সংগ্রহ অভিযানে নেমেছেন। তা তারা পৌঁছে দেবেন ফেডারেশন দফতরে।

আই লিগ থেকে মোহনবাগানের নির্বাসনের পর থেকেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সভ্য-সমর্থকরা। তাতে সামিল হয়েছেন প্রাক্তন ফুটবলারদের একাংশও। ক্লাবের দুই শীর্ষকর্তার পদত্যাগও দাবি করা হয়েছে সেই ফোরাম থেকে। ক্লাবের খারাপ সময়ে এই আন্দোলনের তীব্র সমালোচনা করলেন মোহনবাগান সভাপতি টুটু বসু।

এক বিবৃতিতে তিনি জানান,মোহনবাগান ক্লাবকে সামনে রেখে কেউ কেউ রাজনীতি করছে। ক্লাবের বহু সভ্য-সমর্থক তাঁকে ফোন আর ই-মেল করে তাদের সমর্থনের কথা জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন মোহনবাগান সভাপতি। শাসকগোষ্ঠীতে যারা ভাঙনের চেষ্টা করছেন,তারা আদতে মুর্খের স্বর্গে বাস করছেন বলেও উল্লেখ করেছেন মোহনবাগান সভাপতি। সবাই এখন তাকিয়ে আছে ১৫ তারিখ ফেডারেশনের বৈঠকের দিকে।

ক্লাবের খারাপ সময়ে সমর্থকদের একত্রিত হওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন মোহনবাগান সভাপতি।  নয়ই ডিসেম্বর বিতর্কিত ডার্বিতে দল তোলার সিদ্ধান্ত যথার্থ ছিল বলেই জানিয়েছেন টুটু বসু। তিনি বিবৃতিতে জানিয়েছেন,সেদিন দল না তুললে আরও একটা ১৬ আগস্ট ঘটতে পারত। ফেডারেশনের কাছ থেকে তারা সুবিচার পাবেন বলেও আশা প্রকাশ করেছেন মোহনবাগান সভাপতি।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।