টেস্ট দল থেকে বাদ পড়লেন সেওয়াগ

Update: March 7, 2013 14:30 IST

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ দুটি টেস্টের ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়লেন বীরেন্দ্র সেওয়াগ।

জাতীয় নির্বাচক কমিটি আজ শেষ দুটি টেস্টের দল বাছতে বসেছিলেন। সেখানে সেওয়াগের সাম্প্রতিক খারাপ পারফরম্যান্সের জন্য তাঁকে দল থেকে ছেঁটে ফেলা হয়। তবে সেওয়াগের পরিবর্ত হিসাবে কাউকে নেওয়া হয়নি।

ভারত চলতি সিরিজে ২-০ এগিয়ে। সিরিজের তৃতীয় টেস্ট শুরু ১৪ মার্চ মোহালিতে।
সেওয়াগ ছাড়া বাকি ১৪ জনের নামই অপরিবর্তিত রয়েছে। খারাপ ফর্মে থেকেও পার পেয়ে গিয়েছেন অফ স্পিনার হরভজন সিং। শেষ তিনটি ইনিংসে বীরুর রান মাত্র ২৭। চশমা পরে ব্যাট করায় রানের খরা। তাই,পারফরমেন্সের নিরিখে গৌতম গম্ভীরের পর বাদ সহবাগও। তৃতীয় টেস্টে শিখর ধাওয়ানকে দিয়ে ওপেন করানো হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সিরিজে ইতিমধ্যেই ২-০-তে এগিয়ে ভারত। এই পরিস্থিতিতে তৃতীয় টেস্টে নতুনদের যাচাই করে দেখা হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত। আগামী ১৪-১৮ মার্চ মোহালিতে তৃতীয় এবং ২২-২৬ মার্চ দিল্লিতে সিরিজের শেষ তথা চতুর্থ টেস্ট খেলবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া।

২০০১-এ দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সেওয়াগের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। এখনও
পর্যন্ত ১০৪টি টেস্ট খেলেছেন বীরু। একমাত্র ভারতীয় ক্রিকেটার হিসাবে তাঁর
দখলে রয়েছে টেস্টে দুটি ত্রিশতরান।

সেওয়াগ বাদ পড়ায় মোহালি টেস্টে অভিষেক হতে পারে শিখর ধাওয়ানের। তবে টিম
ম্যানেজমেন্টের বড় অংশ চাইছেন অজিঙ্কা রাহানে মুরলি বিজয়ের সঙ্গে ওপেন
করুক।

শেষ দুটি টেস্টের ভারতীয় দল:  মহেন্দ্র সিংহ ধোনি( অধিনায়ক/ উইকেট রক্ষক), মুরলি বিজয়, চেতেশ্বর পূজারা, সচিন তেন্ডুলকর, বিরাট কোহলি, রবীন্দ্র জাদেজা, হরভজন সিং, আর অশ্বিন, প্রজ্ঞান ওঝা, ভুবনেশ্বর কুমার, আজিঙ্কা রাহানে, অশোক দিন্দা, শিখর ধাওয়ান, ইশান্ত শর্মা।







Post Your Comment

Total Comments:1

Ajinkya Rahane test match khaluk.Virender Sehwag test match khalta parcha na.tai amar prochanda Ajinkya Rahane.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।