কাল থেকে বিশ্বকাপে অভিযান শুরু ঝুলনদের

Update: January 30, 2013 20:24 IST

বৃহস্পতিবার মহিলা বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছে ভারত। প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ। গত বিশ্বকাপের ব্যর্থতা ভুলে এবার ঘরের মাঠে খেতাবের লক্ষ্যে অভিযান শুরু করছেন ঝুলনরা। অধিনায়ক মিথালিরাজ জানিয়েছেন সিনিয়র ও জুনিয়র ক্রিকেটারদের মিশ্রনে তৈরি তাদের দল বেশ ব্যালান্সড। ব্যাটিং লাইন আপে ভারতীয় দলের ভরসা মিথালিরাজ, পুনম রাউত, সুলক্ষ্মণা নায়েক, অমিতা শর্মারা বেশ ছন্দে আছেন। বোলিং বিভাগে ভারতীয় দল নির্ভর করছে ঝুলন গোস্বামী, গৌহার সুলতানা ও নিরঞ্জনা নাগরাজনের উপর।

ভারতীয় দল প্রস্তুতি ম্যাচে শক্তিশালী নিউজিল্যান্ডকে হারালেও অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারেন মিথালিরা। তবে প্রস্তুতি ম্যাচের পারফরম্যান্সকে গুরুত্ব দিতে নারাজ ভারতের অধিনায়ক। তাঁর মতে গ্রুপে তাদের কঠিন প্রতিপক্ষ একমাত্র ইংল্যান্ড। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকেও তারা হাল্কাভাবে দেখছেন না। অপরদিকে কিসিয়া ও কিসোনা নাইট, মার্সিয়া অ্যাগুইলিরা এবং স্টেফানি টেলর সমৃদ্ধ ওয়েস্ট ইন্ডিজও ভারতকে টক্কর দিতে মরিয়া।  

তবে এই বিশ্বকাপ নিয়ে ছিটেফোঁটাও মিডিয়া হাইপ নেই। শুধু পাকিস্তানের মেয়েদের খেলতে দেওয়া হবে না বলে বিজেপি`র ছাত্র শাখা এবিভিপি একবার হুঙ্কার দেওয়ায় শিরোনামে আসে মেয়েদের বিশ্বকাপ। ক্রিকেটের দেশে একই খেলায় মহিলাদের বিশ্বকাপের উত্‍সাহের বহর আর সংখ্যাটা সত্যিই হতাশার।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।