কালজয়ী কাম ব্যাক, তবু সেঞ্চুরি মিস যুবির

Update: November 16, 2012 13:27 IST

ভারত-৪৪৯/৬ (পুজারা-১৬৪, অশ্বিন-১ )

সময় থমকে দাঁড়ালো কিছুক্ষনের জন্য। গ্যালারির সব দর্শক হতভম্ব। ক্যাচটা ঠিকঠাক ধরলেন তো গ্রেম সোয়ান। নো বল হয়নি তো। না, যুবরাজ হাঁটা দিয়েছে প্যাভিলিয়নের দিকে। সমিত প্যাটেলের একটা লোভনীয় ফুলটস বলে ক্যাচ তুলে দিলেন। কেউ মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লেন। কেউ কেউ ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে। কোথায় তাদের মিস হয়ে গেল একটা ইতিহাসের সাক্ষী থাকার। সেঞ্চুরি হল না। সেঞ্চুরি থেকে ২৬ রান দূরে থামতে হল। ঝকঝকে ৭৪ রানের ইনিংস খেলে টেস্ট ক্রিকেটে ক্ল্যাসিক্যাল কাম ব্যাক করলেন যুবি। এর মধ্যে দু`টো ছয়, ৬টা বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন তিনি।

সকাল থেকেই যুবরাজ নিজের ছন্দে খেলছিলেন। গতকালের তাঁর রান ছিল ২৪। আজ শুরুতেই বেশ খানিকটা আক্রমণাত্মক ছিলেন। সোয়ানকে স্টেপ আউট করে একটি ছয় আর সেই ওভারেই সুইপ করে একটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে বুঝিয়ে দেন এখনও অনেক `কাহানি` বাকি। কিছুক্ষণের মধ্যেই হাফ সেঞ্চুরি। মাত্র ৯৮ বলের মাথায় প্যাটেলকে মিড উইকেটের উপর দিয়ে বাউন্ডারি মেরে নতুন জীবনের একটা অর্ধশতরানের স্বাদ পেলেন। এই অবিচল, মৃতুঞ্জয়ী মানুষটি আবার প্রমান করলেন `এইভাবেও ফিরে আসা যায়`।

গতকাল পূজারা একটা বড় ইনিংসের প্রতিমা গড়ে রেখেছিলেন। আজ শুরুতেই একটি বাউন্ডারি মেরে তাঁর ইনিংসে প্রান দিলেন। আন্তজার্তিক ক্রিকেট কেরিয়ারে আরও একটি শতরান যোগ হল। এই নিয়ে তাঁর ঝুলিতে এখন দু`টি শতরান। চেতাশ্বর পূজারা এখনও ক্রিজে রয়েছেন। তাঁর সংগ্রহ রান ১৬০। মহেন্দ্র সিং ধোনি তেমন কোনো চমক দেখাতে পারলেন না। সোয়ানের বলে মাত্র ৫ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান।





Post Your Comment

Total Comments:2

asdharon bhlo lglo pore

I like your channel very much.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।