যুবরাজের প্রত্যাবর্তন

Update: August 10, 2012 18:02 IST

ভারতীয় দলে ফিরলেন যুবরাজ সিং। নিউজিল্যান্ডে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল দলে জায়গা করে নিলেন যুবি। ফুসফুসের ক্যান্সার থেকে সুস্থ হয়ে দীর্ঘ আট মাস পর জাতীয় দলে ফিরলেন তিনি।

ক্যাম্প চলাকালীন জাতীয় ক্রিকেট একাডেমির ক্রীড়া শিক্ষকদের ছাড়পত্র পাওয়ার পরই যুবরাজকে দলে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান কৃষ্ণামাচারী শ্রীকান্ত বলেন, `যুবরাজকে সুস্থ ঘোষণা করা হয়েছে, তাই ও মাঠে ফিরছে। আমরা সবাই জানি, ও একাই ম্যাচ জিতিয়ে আনার পক্ষে যথেষ্ট।`

যুবরাজের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি দলে ফেরানো হয়েছে হরভজন সিংকেও। যুবরাজ-হরভজন দু`জনকে দলে ফেরাতে এদিন দীর্ঘ বৈঠক করেন নির্বাচন কমিটির সদস্যরা। এদিকে টি-টোয়েন্টির দলে বাংলার দুই ক্রিকেটার মনোজ তেওয়ারি ও অশোক দিন্দা সুযোগ পেলেও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে সুযোগ পাননি বাংলার কোনও ক্রিকেটার। শ্রীলঙ্কায় একদিনের সিরিজে না খেললেও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ভারতীয় দলে ফিরছেন সচিন তেন্ডুলকর। দলে রাখা হয়েছে লক্ষ্মণকেও।

তবে দীর্ঘ আট মাস অসুস্থতার কারণে মাঠের বাইরে থাকার পরে সেপ্টেম্বরের নিউজিল্যান্ড সফর এখন ক্যান্সারজয়ীর কাছে অগ্নি পরীক্ষা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।