নক্ষত্র সমাবেশের আগে নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হল তৃণমূলের ব্রিগেড

শুক্রবার থেকেই শহরে আসছেন ভিআইপি, ভিভিআইপি-রা। দমদম বিমানবন্দরে নামার পর থেকেই তাঁদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিচ্ছে কলকাতা পুলিস। জানা যাচ্ছে,  বিধাননগর পুলিস নিজেদের চৌহদ্দির মধ্যে ভিআইপি, ভিভিআইপি-দের কনভয় দেবে। 

Updated By: Jan 18, 2019, 09:44 AM IST
নক্ষত্র সমাবেশের আগে নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হল তৃণমূলের ব্রিগেড

নিজস্ব প্রতিবেদন: শুক্রবার থেকেই শহরে আসছেন ভিআইপি, ভিভিআইপি-রা। দমদম বিমানবন্দরে নামার পর থেকেই তাঁদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিচ্ছে কলকাতা পুলিস। জানা যাচ্ছে,  বিধাননগর পুলিস নিজেদের চৌহদ্দির মধ্যে ভিআইপি, ভিভিআইপি-দের কনভয় দেবে। 

আরও পড়ুন- মমতার ডাকে ব্রিগেডে তারকা সমাবেশ, নেত্রীর পাশে থাকছেন ২২ হেভিওয়েট

ডিজি ওয়ারলেস-এর দায়িত্বে একটি টিম গঠিত হয়েছে তাতে একাধিক উচ্চপদস্থ অফিসারদের রাখা হয়েছে। কন্ট্রোল রুম থেকে ভিআইপি, ভিভিআইপি-দের যাবতীয় গতিবিধির ওপর নজরদারি করবে তারা।  হোটেলে ঢোকা,  শনিবার ব্রিগেডে যাওয়া, সেখানে পৌঁছনো এবং  সেখান থেকে ফের হোটেলে ফেরা, গোটাটাই দেখবে এই স্পেশাল টিম।   

প্রসঙ্গত, তৃণমূলের ব্রিগেডে আমন্ত্রিত ভিআইপি, ভিভিআইপি-দের মধ্যে যেমন বিভিন্ন রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীরা রয়েছেন, তেমনই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীরাও আছেন। এদের মধ্যে অনেকেই জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান। তাই নিরাপত্তার বিষয়ে কোনও ফাঁকফোকর যেন না থাকে সে বিষয়েই তত্পর প্রশাসন।

আরও পড়ুন- ১৯’র ব্রিগেডে হাই প্রোফাইলদের ছড়াছড়ি, স্বাগত জানাতে ফেস্টুন, ব্যানারে মুড়ল শহর

শনিবার ব্রিগেডে আমন্ত্রিত ভিআইপি, ভিভিআইপি-রা যে হোটেল থেকে  বেরোবেন তাঁদের ব্রিগেড গ্রাউন্ড-এ নিয়ে যা হবে কিংসওয়ে থেকে।  ওই রাস্তা কেবলমাত্র  ভিআইপি, ভিভিআইপি-দের জন্যই ব্যবহার করা হবে। পুলিস সূত্রের খবর, ব্রিগেডে আসা মিছিলগুলোকে মাঠে প্রবেশ করানো হবে শেল গেট থেকে। কোনও মিছিল মঞ্চের পিছন থেকে আসতে পারবে না। 

পার্কিংয়ের জন্যও রয়েছে সুবন্দোবস্ত। ময়দানে যদি পার্কিং পরিপূর্ণ হয়ে যায় তাহলে গাড়ি পার্ক করানো হবে গঙ্গাসাগর মাঠে। এমনকি  রেঞ্জার্স ক্লাব, বঙ্গবাসী ও  সি আর এভিনিউ-র রাস্তার একটা অংশেও পার্কিংয়ের জায়গা থাকবে। পার্ক স্ট্রিট ও বাইপাসের ধারে রাস্তার একটা অংশেও গাড়ি পার্কের জন্য ভাবা হয়েছে। তবে ব্রিগেড গ্রাউন্ডের আট কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে নেতা, মন্ত্রীদের গাড়ি ছাড়া কোনো গাড়ি পার্কিং হবে না বলেই জানিয়েছে প্রশাসন।  উল্লেখ্য, এটিসি-কে আলাদা করে চিঠি দিয়েছে   লালবাজার।  যদি কেউ শেষ মুহূর্তে চপার-এ করে আসতে চায় বা অন্য প্রয়োজন হ, সেবিষয়েও আগাম ব্যবস্থা নিয়ে রাখছে তারা।

.