সংঘর্ষ থামলেও থমথমে সিতাই, পুলিসি তাণ্ডবের অভিযোগে ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা

গত মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর সফরের দিনই তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কোচবিহারের দিনহাটা। চ্যাংরাবান্ধায় মুখ্যমন্ত্রী যখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পরামর্শ দিচ্ছিলেন প্রায় তখনই দিনহাটায় তৃণমূল ও যুব তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে চলে গুলি। পরদিন লাগোয়া সিতাইয়ে তৃণমূলের ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়ায়। 

Updated: Jul 12, 2018, 04:31 PM IST
সংঘর্ষ থামলেও থমথমে সিতাই, পুলিসি তাণ্ডবের অভিযোগে ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা

নিজস্ব প্রতিবেদন: সংঘর্ষ থামলেও বইছে আতঙ্কের চোরা স্রোত। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও কোচবিহারের সিতাই যেন কোনও উপদ্রুত এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, তল্লাশির নামে এলাকায় তাণ্ডব চালাচ্ছে পুলিস। আর তাতে উসকানি দিচ্ছেন স্থানীয় বিধায়কই। ঘটনায় বৃহস্পতিবার বেলা পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। 

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দে বুধবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কোচবিহারের সিতাই। অবাধে চলে বোমা -গুলি। গোটা এলাকার দখল নেয় দুষ্কৃতীরা। এমনকী সংঘর্ষের তীব্রতায় এলাকায় ঢোকেনি পুলিসও। যদিও গোটা ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই।

সংঘর্ষ থামতেই বুধবার সন্ধ্যায় এলাকায় ঢোকে পুলিস। এর পর বাড়ি বাড়ি ঢুকে শুরু হয় তল্লাশি। স্থানীয়দের অভিযোগ, তল্লাশির নামে তাণ্ডব চালায় পুলিস। স্থানীয় বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার দেখানো বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায় পুলিসকর্মীরা। সকালোও একাধিক বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। 

পুলিসের পালটা দাবি, এলাকায় গন্ডগোল বাঁধানোর লক্ষ্যে দুষ্কৃতীদের জড়ো করা হয়েছিল। তল্লাশি চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করেছিল পুলিস। উদ্ধার হয়েছে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র। উদ্ধার হয়েছে প্রচুর তির ও ওয়ান শটার।  

গত মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর সফরের দিনই তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কোচবিহারের দিনহাটা। চ্যাংরাবান্ধায় মুখ্যমন্ত্রী যখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পরামর্শ দিচ্ছিলেন প্রায় তখনই দিনহাটায় তৃণমূল ও যুব তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে চলে গুলি। পরদিন লাগোয়া সিতাইয়ে তৃণমূলের ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়ায়। 

লাগাতার গোষ্ঠী সংঘর্ষ নিয়ে যদিও মুখে কুলুপ এঁটেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। প্রত্যেকেই ঘটনার দায় এড়িয়েছেন। মুখে কুলুপ পুলিসেরও।