বারবার আদালতের ভর্তসনাতেও বদলাচ্ছে না বীরভূমের পুলিস! বারবার আদালতের ভর্তসনাতেও বদলাচ্ছে না বীরভূমের পুলিস!

বারবার আদালতের ভতর্‍সনাতেও বদলাচ্ছে না বীরভূমের পুলিস। পুলিস সুপারকে নির্দেশ দিয়েও কাজ না হওয়ায়, ক্ষুব্ধ আদালত এবার নির্দেশ দিল রাজ্য পুলিসের ডিজিকে।  দুটি ভিন্ন মামলায় ফের আদালতের তিরস্কারের মুখে সিউড়ি পুলিস।সিউড়ি হোক বা  মহম্মদবাজার। পুলিসের কাজে চরম অসন্তুষ্ট আদালত। বিচারক নিগ্রহের ঘটনায় সপ্তাহ খানেক আগে আদালতে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছিলেন সিউড়ি থানার IC সমীর কুপ্তি।  জমি সংক্রান্ত একটি মামলায় ফের আদালতের তিরস্কারের মুখে সেই একই  IC। এবং আবারও  নিঃশর্তে ক্ষমাপ্রার্থনা করলেন তিনি।   তবে আদালতে ক্ষমা চাইলেও কোর্টের বাইরে সমীর কুপ্তিকে দেখা গেল সম্পূর্ণ অন্য মেজাজে।

রাজ্যের তথ্যের অধিকার কমিশনারের পদ তিনমাস ধরে শূন্য! রাজ্যের তথ্যের অধিকার কমিশনারের পদ তিনমাস ধরে শূন্য!

রাজ্যের তথ্যের অধিকার কমিশনারের পদ তিনমাস ধরে শূন্য। সমস্যায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ। জমছে ফাইলের পাহাড়। তথ্য জানার অধিকার সংক্রান্ত মামলাগুলি কার্যত থমকে। রায় দিতে গিয়ে অসুবিধায় পড়ছে আদালত। কোনও রাজ্যেই এই পদ কোনওভাবেই শূন্য রাখা যাবে না বলে সম্প্রতি একটি রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তারপরেও কোনও হেলদোল নেই এ রাজ্যের তথ্যের অধিকার কমিশনের। ফেব্রুয়ারির মধ্যে কমিশনার নিয়োগ না হলে আশঙ্কার কালো মেঘ দেখছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কারণ, কয়েকমাস পরেই ভোট। তার দামামা বেজে গেলেই কমিশনার নিয়োগের প্রক্রিয়াটিও কার্যত চলে যাবে ঠান্ডা ঘরে। ফলে ভোগান্তি বাড়বে সাধারণ মানুষের। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তথ্য জানার অধিকার নিয়ে যাঁরা হাজির হন কমিশনে। সঠিক তথ্য জানতে না পেরে যাঁরা মামলা করেন আদালতে, সেই বিচার প্রক্রিয়াও ক্রমশই দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হবে।

আজ বিকেলেই মুক্তি পাওয়ার কথা নির্ভয়াকাণ্ডে নাবালক অপরাধীর আজ বিকেলেই মুক্তি পাওয়ার কথা নির্ভয়াকাণ্ডে নাবালক অপরাধীর

মুক্তিতে স্থাগিতাদেশ না দেওয়ায় আজ বিকেলেই মুক্তি পাওয়ার কথা নির্ভয়াকাণ্ডে নাবালক অপরাধীর। ইতিমধ্যেই  নিরাপত্তার কারণে হোম থেকে গোপন স্থানে সরানো হয়েছে তাকে। গতকালই হোমের বাইরে অবস্থানরত নির্ভয়ার বাবা ও মাকে মৌরিস নগর থানায় তুলে নিয়ে যায় পুলিস। একঘণ্টা পরে ছেড়েও দেওয়া হয় তাঁদের। অন্যদিকে শেষ মুহুর্তে  নির্ভয়াকাণ্ডে নাবালক অপরাধীর মুক্তি ঠেকাতে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় দিল্লির মহিলা কমিশন। মাঝরাতে সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রারের বাড়িতে স্পেশাল লিভ পিটিশন দায়ের করেন  মহিলা কমিশনের সদস্যরা। মামলাটি বিচারাধীন, তাই এখনই নাবালক অপরাধীকে যেন মুক্তি দেওয়া না হয়।