মধুর `চেল`-এ চন্দ্রিমা

হিমালয়ের শিবালিক শৃঙ্গের ছোট্ট শহর চেল কিছুটা একাসেরে। হিমাচল প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত হলেও এর মূল ভূখণ্ড থেকে চিরকাল নিজেকে আলাদা রাখতেই ভালোবেসেছে চেল।

মাতাল মাথেরনের ডাকে

যদিও বিয়েটা হয়েছিল সেই এপ্রিলের মাঝামাঝি। কিন্তু দুজনেরই কাজের চাপ আর সময়ের চাপে বাকি পড়ে গিয়েছিল মধুচন্দ্রিমার অবকাশ। সামনে পুজো। হাতে কিছুদিন ছুটি। এই সুযোগে সেরে নেওয়া যায় ডিউ থাকা মধুযামিনী।

চেনা পথের বাঁকে ভ্যালি অব ফ্লাওয়ার্স

যোশিমঠ হয়ে বদ্রীনাথ। বাঙালির চেনা রাস্তা। দীঘা, পুরী, দার্জিলিঙের পরই প্রথম পছন্দ হরিদ্বার।

ইতিহাসের খোঁজে বেনারসের গলিতে

ইতিহাসের চেয়ে প্রাচীন, রীতি রেওয়াজের থেকে পুরনো, এমনকী কিংবদন্তির থেকেও পুরনো।

কেল্লার যোধপুরে মধুচন্দ্রিমার খুনসুটি

সদ্য বিয়ে সেরেছেন? অফিসের বসকে পটিয়ে কোনও রকমে দিন দশেকের ছুটিও বাগিয়ে নিয়েছেন! কিন্তু মধুচন্দ্রিমায় কোথায় যাবেন, সেটা ভাবতে হিমসিম...

ভারতের শেষ গ্রামে চায়ে চুমুক

বদ্রীর উষ্ণ চৌবাচ্চায় মাখামাখি হয়ে যায় ভারতের সবকটা রঙ। বদ্রীনাথের দর্শন সেরে মাত্র ৩ কিলোমিটার ওপরে ওঠা।