রাজ্য পুলিসের অভাব, প্রথম দফার ভোটের জন্য তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরই ভরসা কমিশনের রাজ্য পুলিসের অভাব, প্রথম দফার ভোটের জন্য তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরই ভরসা কমিশনের

  রাজ্য পুলিসে কর্মীর অভাব।  প্রথম দফার ভোটের নিরাপত্তার জন্য তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরই ভরসা করছে কমিশন। মাওবাদী এলাকায় কেন্দ্র প্রতি কমপক্ষে আটজন করে জওয়ান মোতায়েন করা হচ্ছে। শুধুমাত্র ভোটারদের লাইন সামাল দিতে থাকবে রাজ্য পুলিস। পুরনো সব রেকর্ড গুঁড়িয়ে দিয়ে আরও কড়া নিরাপত্তায় এবারের বিধাননসভা নির্বাচন করাতে চাইছে কমিশন। নজিরবিহীনভাবে ভোটের দিন ঘোষণার আগেই রাজ্যে চলে এসেছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রথম থেকেই জঙ্গল মহলের নিরাপত্তার উপর বিশেষ জোর দিয়েছে কমিশন। সোমবার প্রথম দফার প্রথম দিনে আঠারোটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হবে। এর মধ্যে  সব থেকে বেশি স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে পুরুলিয়ায়। নির্বিঘ্নে ভোটপর্ব মেটাতে কমিশনের ভরসা কেন্দ্রীয় বাহিনীই।

 ফের কমিশনের কড়া পদক্ষেপ, সরানো হল আইপিএস ভারতী ঘোষকে ফের কমিশনের কড়া পদক্ষেপ, সরানো হল আইপিএস ভারতী ঘোষকে

ফের কমিশনের কড়া পদক্ষেপ। সরানো হল আইপিএস ভারতী ঘোষকে। মাওবাদী দমনের বিশেষ দায়িত্বে থাকা এই আইপিএসের বিরুদ্ধে বারবার শাসকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। কমিশনের কোপে রাজ্যের আরেক আইপিএস। এবার সরানো হল ভারতী ঘোষকে। মাওবাদী দমনে নিযুক্ত LWE অপারেশনসের অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি পদে ছিলেন তিনি। শাসকদলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ তুলে ভারতীর বিরুদ্ধে বারবার সোচ্চার হয়েছেন বিরোধীরা। এর আগেও দুহাজার চোদ্দর লোকসভা ভোটের সময় কমিশনের নির্দেশে ভারতী ঘোষকে পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের পুলিস সুপার পদ থেকে অপসারণ করা হয়। ভোটের পর ফের ওই দুই দায়িত্বে ফেরানো হয় তাঁকে।বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন এই আইপিএস।  বিরোধীদের অভিযোগ,

ভোটের আগে কমিশনের চাপে তত্‍পর পুলিস, জালে একের পর এক দাগী আসামী ভোটের আগে কমিশনের চাপে তত্‍পর পুলিস, জালে একের পর এক দাগী আসামী

গত কয়েক বছরে যা করে উঠতে  পারেনি রাজ্য পুলিস, এবার কমিশনের চাপে সেই অসাধ্যই সাধন করলেন উর্দিধারীরা। ভোটের মুখে কমিশনের চাপে রাজ্যজুড়ে জারি ধরপাকড়।   দুপুরে উপ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সন্দীপ সাক্সেনার সঙ্গে বৈঠক জেলা পুলিস প্রশাসনের তাবড় কর্তারা। আইশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে যথেষ্ট ফাপরে পড়তে পারেন SP, DMরা।আর তার আগেই  তত্পরতা পুলিস মহলে।  পুরশুড়ায় পুলিসের জালে  দুহাজার নয় থেকে ফেরার তৃণমূল নেতা শেখ ফরিদ ওরফে টিঙ্কু।  কালও বছর খানেক পুলিসের খাতায় ফেরার থাকার পর কেতুগ্রামে জোড়া খুনের ঘটনায় গ্রেফতার দুই দাপুটে তৃণমূল নেতা।   রায়নায় সিপিএম কর্মী খুনে অভিযুক্ত দুই তৃণমূল কর্মীকেও কালই গ্রেফতার করে পুলিস। গ্রেফতার করা হয় কাশীপুরে তৃণমূলের দাপুটে নেতা আনোয়ার খানকেও।   ভোটারদের আস্থা ফেরাতে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চই নয়। বরং আরও কঠোর পদক্ষেপ যে নেওয়া হবে, কাশীপুর রায়না কেতুগ্রামের পর আজ পুরশুড়ায় গ্রেফতারিতে তেমনই বার্তা কমিশনের।