সংসদ হানার অভিযুক্ত আফজল গুরুর ফাঁসির এক সপ্তাহের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে কাশ্মীর। কারফিউ তুলে নেওয়া হয়েছে উপত্যাকা থেকে। সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবাও স্বাভাবিক করে দেওয়া হয়েছে। আজ সকাল থেকেই আবার রাস্তায় বেরিয়েছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয় দোকান ও বাজারও খুলেছে আগের মতোই। আফজলের ফাঁসির প্রতিবাদ দেখাতে গিয়ে গত কয়েকদিনে মোট ৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। অন্ততপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছেন পুলিসের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে।
নতুন করে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় ফের কারফিউ জারি হল কাশ্মীর উপত্যাকায়। কোনও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন যেন পাহাড়ে আফজল গুরুর স্মৃতিতে মিছিল করতে না পারে, তাই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে রাজ্য প্রশাসনের তরফে।
তিহারের বন্ধ দরজার আড়ালে গতকাল আফজল গুরুর ফাঁসির পর এখন সরকার ও তাঁর পরিবারের মধ্যে শুধুই তোপ দাগার পালা। একদিকে কেন্দ্রীয় সরকার বলছে আফজলের ফাঁসির কথা আগেই জানানো হয়েছিল তাঁর পরিবারকে। অন্যদিকে সরকারের এই দাবি মানতে নারাজ গুরুর পরিবার।
ফিক্সিং: ভূতের মুখে রাম নাম
সল্লু মিঞার বিদেশি বউ?
সারদা কাণ্ডে জড়িত কলকাতা পুরসভা! অভিযোগে উত্তাল অধিবেশন
ওয়েবক্যামে স্বামীর চোখের সামনে আত্মঘাতী স্ত্রী
কানে বিদ্যার পাতে ব্যাং
২৭ মে ফল মাধ্যমিকের
লিগ খেতাব জয়ের হ্যাটট্রিক ইস্টবেঙ্গলের