জঙ্গিদের গুলিতে কাশ্মীরে ৩ জওয়ান হত

আতঙ্কবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন তিন সেনা জওয়ান। শুক্রবার জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলায় সেনা পেট্রল দলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় জঙ্গিরা। তাতেই মৃত্যু হয় তিন সেনা জওয়ানের।

ডাল লেকের হাউসবোট থেকে উদ্ধার বিদেশিনীর দেহ, গ্রেফতার ডাচ যুবক

শ্রীনগরে ডাল লেকের হাউসবোট থেকে উদ্ধার হল এক ব্রিটিশ তরুণীর দেহ। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিসের অনুমান, বছর চব্বিশের ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে সন্দেহভাজন এক ডাচ যুবককে।

শ্রীনগর হামলার তদন্ত করবেন ডিজিপি

গতকাল সিআরপিএফ ক্যাম্পে জঙ্গি হানার ঘটনায় পুলিসের ডিরেক্টর জেনারেলকে তদন্তের নির্দেশ দিল জম্মু ও কাশ্মীর সরকার। ক্যাম্পে আচমকা জঙ্গি হামলায় সেনাবাহিনীর গুলিতে এক যুবকের মৃত্যু হওয়ার ঘটনারও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল রাতে মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লার নেতৃত্বে একটি বৈঠকের পর এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানান, "ডিজিপি শ্রীনগরে গিয়ে বিস্তারে তদন্ত করবেন।"

কারফিউ উঠল কাশ্মীরে, ছন্দে ফিরছে উপত্যাকা

সংসদ হানার অভিযুক্ত আফজল গুরুর ফাঁসির এক সপ্তাহের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে কাশ্মীর। কারফিউ তুলে নেওয়া হয়েছে উপত্যাকা থেকে। সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবাও স্বাভাবিক করে দেওয়া হয়েছে। আজ সকাল থেকেই আবার রাস্তায় বেরিয়েছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয় দোকান ও বাজারও খুলেছে আগের মতোই। আফজলের ফাঁসির প্রতিবাদ দেখাতে গিয়ে গত কয়েকদিনে মোট ৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। অন্ততপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছেন পুলিসের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে।

আবার কারফিউ কাশ্মীরে

নতুন করে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় ফের কারফিউ জারি হল কাশ্মীর উপত্যাকায়। কোনও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন যেন পাহাড়ে আফজল গুরুর স্মৃতিতে মিছিল করতে না পারে, তাই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে রাজ্য প্রশাসনের তরফে।

শেষ দেখা হল না আফজলের পরিবারের, কারফিউতে স্তব্ধ কাশ্মীর

তিহারের বন্ধ দরজার আড়ালে গতকাল আফজল গুরুর ফাঁসির পর এখন সরকার ও তাঁর পরিবারের মধ্যে শুধুই তোপ দাগার পালা। একদিকে কেন্দ্রীয় সরকার বলছে আফজলের ফাঁসির কথা আগেই জানানো হয়েছিল তাঁর পরিবারকে। অন্যদিকে সরকারের এই দাবি মানতে নারাজ গুরুর পরিবার।

কাশ্মীর ইস্যু: পাক উদ্যোগ ব্যর্থ করল ভারত

কাশ্মীর ইস্যুতে ফের পাকিস্তানের উদ্যোগ ব্যর্থ করল ভারত। নিয়ন্ত্রণরেখার নজরদারির দায়িত্ব রাষ্ট্রসংঘের সামরিক পর্যবেক্ষক গোষ্ঠীর হাতে ছেড়ে দেওয়ার দাবি তোলে পাকিস্তান। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বিষয়টি নিয়ে তুমুল বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন ভারত ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা। বিদেশমন্ত্রী সলমন খুরশিদ জানিয়ে দিলেন, এই ইস্যুতে আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে  তৃতীয়পক্ষের কোনও জায়গা নেই।

আলোচনায় নারাজ ভারত

জওয়ান হত্যার অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত কোনও রকম আলোচনায় যাওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দিল ভারত। পাক বিদেশমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খারের বিদেশমন্ত্রক পর্যায়ের আলোচনার প্রস্তাবকে খারিজ করে দিয়ে তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বলেন, "পাক সেনার বর্বরোচিত আচরণের বিষয়টিই মুখ্য। যাঁরা এই নৃশংস ঘটনায় জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই আলোচনা সম্ভব।" ভারতের আবেগের কারণটিও পাকিস্তানের বিবেচনা করা উচিত বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

হাফিজ সাইদের নিশানায় কাশ্মীর

কাশ্মীরে নতুন করে হিংসা ছড়ানোর হুমকি দিল লস্কর-ই-তইবা প্রধান হাফিজ সইদ। তার  অভিযোগ, পাকিস্তানে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে ভারত। হাফিজ সইদের হুমকির দিনই কাশ্মীরের সোপোরে সন্দেহভাজন জঙ্গিদের হাতে খুন হয়েছেন এক পঞ্চায়েত প্রধান।