কেদারনাথের বিপর্যয়ে দায়ী পর্যটকদের হানিমুন করতে আসা দম্পতিরা, বললেন শঙ্করাচার্য

কেদারনাথের বিপর্যয়ে দায়ী পর্যটকদের হানিমুন করতে আসা দম্পতিরা, বললেন শঙ্করাচার্য

সমস্ত ধর্মীয় প্রসঙ্গে মন্তব্য করা তাঁর অভ্যাস। শুধু মন্তব্য করা বললে ভুল হবে, বিতর্কিত মন্তব্য করা তাঁর অভ্যাস। তিনি আর কেউ নন, শঙ্করাচার্য স্বামী স্বরূপানন্দ সরস্বতী। মহারাষ্ট্রের শনি মন্দিরে এতদিন মেয়েদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। কয়েকদিন আগে মেয়েদের মন্দিরে প্রবেশ করা নিয়ে নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়। কিন্তু তারপরে শঙ্করাচার্য মন্তব্য করেন, শনি মন্দিরে মেয়েরা প্রবেশ করলে নাকি ধর্ষণ আরও বেড়ে যাবে! এবার তিনি কেদারনাথের বিপর্যয়ের পিছনে কারণ হিসেবে মন্তব্য করেন যে, নবদম্পতিদের মধুচন্দ্রিমার ফলেই ভয়াবহ বিপর্যয় হয়েছিল কেদারনাথে!

বদ্রীনাথে বিপদ সংকেত

উত্তরাখণ্ডে হড়কাবানের এক মাস কাটতে। ধীরে বিপর্যয়ের স্মৃতি কাটিয়ে উঠছে বদ্রীনাথ। এরইমধ্যে অশনীসংকেত বদ্রীর মন্দিরে। যেকোনও দিন হ্রদ ফেটে কেদারনাথের মতই বিপর্যয় নেমে আসতে পারে বদ্রীনাথেও।

হড়কাবান সন্তানহারা করল কেদারনাথের বারাসু গ্রাম

সন্তান হারানোর যন্ত্রণা এখন কেদারপথের বারাসু গ্রামে। প্রাকৃতিক বিপর্যয় কেড়ে নিয়েছে গ্রামের প্রায় ২০ টি শিশুকে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, পর্যটকদের নিয়ে মাথা ব্যথায় সরকার ভুলেছে তাঁদের কথা।

বদ্রীনাথে এখনও আটকে হাজার, নিখোঁজ ১৮০০

দু`সপ্তাহের বেশি সময় ধরে উদ্ধারকাজ চালানোর পরও এখনও হাজারের ওপর মানুষ আটকে রয়েছেন বদ্রীনাথে। এখনও নিখোঁজ ১৮০০ মানুষ। গত ১৪ দিনে বিধ্বস্ত উত্তরাখণ্ড থেকে এক লক্ষেরও মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।

কেদারভূমিতে জ্বলে উঠল গণচিতা

আবহাওয়ার সামান্য উন্নতির সঙ্গে প্রাকৃতিক রোষে প্রাণ হারানো দেহগুলির পঞ্চত্তর কাজ শুরু হল কেদারধামে। বিপর্যয়ের ১১ দিন পরেও দেবভূমিতে উদ্ধারের অপেক্ষায় ৩,৫০০। বদ্রীনাথ ও হারশিল সেক্টর থেকে আকাশ ও সড়ক পথে ১,০০০ জন পূণ্যার্থীকে নিচে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। বায়ুসেনার চপার দূর্ঘটনার পর উদ্ধারকার্যে নিযুক্ত সেনাকর্মীদের মনবল ফেরানো একটা বড় চ্যালেঞ্জ। ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান ন্যাক ব্রাউন বুধবার সেই কাজটাই করার চেষ্টা করেন। প্রশাসনিক আধিকারিক রবিনাথ রমন সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, "খারাপ আবহাওয়ার জন্য গণদাহ কাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল, কিন্তু পরে কেদারনাথে তা শুরু হয়েছে।" তবে এই গণচিতায় দাহ হওয়া দেহের সংখ্যা ঠিক কত, তা হলফ করে কেউই বলতে পারেননি।

কেদারের গর্ভগৃহে

ধ্বংসস্তুপ আর মৃতদেহের মাঝে দাঁড়িয়ে রয়েছে অক্ষত শতাব্দী প্রাচীন কেদারনাথ মন্দির। ভিতরে সুসজ্জিত কেদারনাথ শিবের পবিত্র বিগ্রহ ভোগ মূর্তি। কিন্তু বাইরের পূতিগন্ধময় পরিবেশে বাধা দিচ্ছিল শিবজির অখণ্ড পূজায়। তাই কেদারনাথ মন্দির থেকে ৬১ কিলোমিটার দূরে উকিমঠে বিগ্রহ স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মন্দিরের রাওয়াল (প্রধান পুরোহিত) ভীমশঙ্কর লিঙ্গ শিবাচর্য।

মোদীর কেদারভূমি পুনর্গঠনের প্রস্তাব খারিজ করল উত্তরাখণ্ড

বন্যা বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ডে `সুপারম্যান` হয়ে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী। পাহাড়ে আটকে পড়া গুজরাতের পর্যটকদের উড়িয়ে নিয়ে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু এই উদ্ধারকার্যের জন্য `ছিঃ ছিঃ` কুড়িয়েছেন মোদী। প্রাদেশিকতার অভিযোগ ওঠে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। রাজনীতির দর কষাকষি এবার নতুন দোরগোড়ায়। ১৬ই জুনের হড়াকা বানে প্রায় অক্ষত কেদারনাথ মন্দিরের সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন মোদী। প্রতিবেশী রাজ্যের এই প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছে উত্তরাখণ্ড সরকার। দেবভূমির সংস্কারের খরচা উত্তরাখণ্ড সরকারই করবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বহুগুনা।

৪৮ ঘণ্টায় বর্ষা বাড়বে উত্তরাখণ্ডে, উদ্ধারে জোর বাড়াল সেনা

উত্তরাখণ্ডের বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছেন কমপক্ষে ১৪ হাজার মানুষ। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী এপর্যন্ত মৃতের সংখ্যা প্রায় ছশো। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে আজ উত্তরাখণ্ড যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার সিন্ধে। হরিদ্বারের গঙ্গা থেকে গতকাল উদ্ধার হয়েছে আরও চল্লিশটি দেহ।আবহাওয়ার সামান্য উন্নতি হওয়ায় উত্তরাখণ্ডে বন্যা পরবর্তী উদ্ধারকার্যে অল্প হলেও গতি এসেছে।

নাগরিক সভ্যতায় বিপন্ন হিমালয়ের বাস্তুতন্ত্র

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড। গর্ভগৃহ ছাড়া নিশ্চিহ্ন প্রায় গোটা কেদারনাথ মন্দির চত্বর। কেদারনাথ যাত্রার প্রবেশপথ গৌরীকুণ্ডেরও কোনও অস্তিত্ব নেই। কিন্তু কেন এই বিপর্যয়? শুধুই কি মেঘভাঙা বর্ষণ? নাকি গোটা হিমালয়ের বাস্তুতন্ত্র বিপন্ন নাগরিক সভ্যতার হস্তক্ষেপে?

উত্তরাখণ্ডের জন্য ১,০০০ কোটির আর্থিক সাহায্য ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

উত্তরাখণ্ডের জন্য ১,০০০ কোটি টাকার কেন্দ্রীয় সাহায্য ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। প্রবল বৃষ্টিতে হিমাচল রাজ্য `বড় বিপর্যয়ের` সম্মুখীন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

উত্তরাখণ্ডে প্রবল বৃষ্টি, ভাসল ১০০ বাড়ি, মৃত ১০

প্রবল বর্ষনে বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড। বহু জেয়গায় ধ্বস নেমেছে। বহু রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় বিচ্ছিন হয়ে পড়েছে উত্তরাখণ্ড ও চালোলি জেলার একটা অংশ। বন্ধ রয়েছে চার ধাম যাত্রাও।

বন্য বিনসরের বুকে

কমলা লেবু সূর্যটা বিনসরের জঙ্গলের পিছন দিকে সন্ধে হলে ঘুমোতে যায়। হাজার ঝিঁঝিঁর ডাকে তাল মিলিয়ে চাঁদের বুড়ি চড়কা কাটে বিনসারের রাতে। আবার সক্কাল বেলা নন্দাদেবী, ত্রিশূল, শিবলিঙ্গ, কেদারনাথ চূড়োর ফাঁক দিয়ে একগাল হেসে সোনালী আলো ছড়িয়ে সূর্যটা টুক করে এসে বসে বিনসরের আকাশে।