চার বিজেপি সমর্থককে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

চার বিজেপি সমর্থককে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

রাস্তা আটকে চার বিজেপি সমর্থককে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বাসন্তীর বোরিয়া গ্রামের ঘটনা। আহত বিজেপি সমর্থকদের রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে বাসন্তী ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে রেফার করা হয় তাঁদের। ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার। অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা বিজেপি করার জন্য কয়েকজন ক্ষেতমজুরকে বেধড়ক মারধর করে। বুধবার আক্রান্তরা থানায় অভিযোগ দায়ের করলে, স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। গতকাল ক্ষেতমজুর পরিবারের লোকজন রাস্তা দিয়ে ফেরার সময়, তাঁদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। হামলার মূল পাণ্ডা হিসেবে ফুলমালঞ্চ গ্রামপঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান আফতাব মোল্লার নাম উঠে এসেছে। আজ ক্যানিংয়ের SDPO-র কাছে যাবে বিজেপির প্রতিনিধি দল। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্করের দাবি, পুরোটাই প্রতিবেশী ও পরিবারের ঝামেলা। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে  ক্যানিংয়ের কিশোরীকে গণধর্ষণ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্যানিংয়ের কিশোরীকে গণধর্ষণ

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কিশোরীকে ফুঁসলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ। পরে তাকে খুনেরও অভিযোগ ওঠে দুই যুবকের বিরুদ্ধে। ক্যানিংয়ের জীবনতলার থানার উত্তর পাতিখালি গ্রামের ঘটনা। গোঙানির আওয়াজ শুনে উত্তর পাতিখালি মাঠ থেকে আজ সকালে ওই কিশোরীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই কিশোরীকে প্রথমে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে কলকাতায় চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিগৃহীতা কিশোরী বাসন্তীর গরান বোস এলাকার বাসিন্দা। ঘটনাস্থলে জীবনতলা থানার পুলিস। অভিযুক্ত দুই যুবক নুরআলম মিস্ত্রী ও হাসা মিস্ত্রী পলাতক।