এক `যাত্রায়` পৃথক ফল: মুন্নার জামিন, মোক্তারের খারিজ

গার্ডেনরিচ কাণ্ডে ফের বিতর্কের মুখে রাজ্য সরকার। আমরা-ওরা অভিযোগ আরও একবার দারুণভাবে উঠে এল। একই ঘটনায় তৃণমূল বরো প্রধান মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্না জামিন পেলেও, আজ অভিযুক্ত কংগ্রেস নেতা মোক্তারের জামিন হল না। কারণ সরকারের আইনজীবী মোক্তারের জামিনের তীব্র বিরোধিতা করেন। অথচ গতকাল মুন্নার জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করেননি সরকারপক্ষের আইনজীবী।

মুন্নার জেল হেফাজত

ফের জেল হেফাজতে গার্ডেনরিচকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্না। আগামী ১৩ মে পর্যন্ত মুন্নার জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন আলিপুর পুলিস কোর্টের বিচারক।

মুন্নার ১৪, কাউয়ের ৩০ দিনের জেল হেফাজত

গার্ডেনরিচ কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্নার এপ্রিল জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আলিপুর আদালত। তেসরা এপ্রিল গার্ডেনরিচ কাণ্ডে অভিযুক্ত মহম্মদ ইকবাল অরফে মুন্নাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত দেয় আদালত। আগামিকাল কলকাতা পুরসভার পনেরো নম্বর বরোর চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন। সে কারণেই প্রথমে মুন্নার প্যারোলের আবেদন করা হয় আইনজীবীর তরফে।পরে অবশ্য তা প্রত্যাহার করা হয়।

মুন্নার জামিনের বিরোধিতা, সরানো হল সরকারি আইনজীবীকে

গার্ডেনরিচ কাণ্ডের জেরে সরানো হল সরকারি আইনজীবীকে। গার্ডেনরিচে পুলিস খুনের ঘটনায় ধৃত মুন্ন ইকবালের জামিনের বিরোধিতা করায় সরানো হল তাঁকে। গত বৃহস্পতিবার বিহার থেকে গ্রেফতার করা হয় মুন্নাকে।

মুন্নাকে ফেরার হতে সাহায্য করেছিল পুলিসই, অভিযোগ সিআইডির

গার্ডেনরিচে দুষ্কৃতীর গুলিতে নিহত এস আই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত মহম্মদ ইকবালকে গ্রেফতারে দেরি হওয়ায়, কলকাতা পুলিসের একাংশের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনল সিআইডি।

গার্ডেনরিচ কাণ্ডে ধাক্কা খেল সিআইডি

গার্ডেনরিচ কাণ্ডে ধাক্কা খেল সিআইডি। এঘটনায় চার অভিযুক্ত মহম্মদ মোক্তার, মহম্মদ মোস্তাক, ইবনে সউদ এবং শেখ সুভানের পুলিস হেফাজতের আর্জি খারিজ করে দিল আদালত। ১৮ মার্চ পর্যন্ত তাদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইবনে সউদ ও সেখ সুভানকে প্রেসিডেন্সি জেলে এবং মোক্তার ও মহম্মদ মোস্তাককে আলিপুর জেলে পাঠানো হয়েছে।

এস আই খুনের অভিযুক্তদের পুলিস হেফাজতের আর্জি খারিজ

গার্ডেনরিচ কাণ্ডে ধাক্কা খেল সিআইডি। এই ঘটনায় চার অভিযুক্ত মহম্মদ মোক্তার, মহম্মদ মোস্তাক, ইবনে সউদ এবং শেখ সুভানের পুলিস হেফাজতের আর্জি খারিজ করে দিল আদালত। ১৮ মার্চ পর্যন্ত তাঁদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইবনে সউদ ও সেখ সুভানকে প্রেসিডেন্সি জেলে এবং মোক্তার ও মহম্মদ মোস্তাককে আলিপুর জেলে পাঠানো হয়েছে।

গার্ডেনরিচ কাণ্ডে অভিযুক্ত মোক্তার গ্রেফতার

গার্ডেনরিচ কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত শেখ মোক্তারকে গ্রেফতার করল সিআইডি। বিহারে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় হাওড়া স্টেশন থেকে গ্রেফতার করা হয় মোক্তারকে। তাকে ভবানীভবনে নিয়ে যাওয়া হল। মোক্তারের সঙ্গে ধৃত মোস্তাক নামের আরও একজন। ধৃত দুজনের কাছেই বিহারে যাওয়ার টিকিট পাওয়া গিয়েছে।

রাজনৈতিক স্বার্থে সিআইডিকে ব্যবহার, উঠছে প্রশ্ন

গার্ডেনরিচ কাণ্ডের তদন্তভার কলকাতা পুলিসের হাত থেকে কেড়ে সিআইডি-কে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর গুড়িয়া কাণ্ডের তদন্তে কলকাতা হাইকোর্টের তীব্র ভর্তসনার মুখে পড়তে হল সেই সিআইডি-কেই। ইতিমধ্যেই তাদের হাতে থাকা বিভিন্ন তদন্তের গতিপ্রকৃতি দেখে অভিযোগ উঠছে, রাজনৈতিক স্বার্থে সিআইডি-কে ব্যবহার করছে রাজ্য সরকার।  

গার্ডেনরিচ কাণ্ড: প্রতিক্রিয়ায় রাজনৈতিক মহল

রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে নৈরাজ্যের যাবতীয় নজির ছাপিয়ে গেল গার্ডেনরিচে কলেজের ঘটনা। প্রকাশ্যে দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত হলেন পুলিসের এক সাব ইনেস্পেক্টর। হরিমোহন ঘোষ কলেজে টিএমসিপি এবং ছাত্রপরিষদের সংঘর্ষের জেরে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। কলেজের সংসদ দখলের লড়াইয়ের রক্তাক্ত পরিণতির পরই চাপান উতোর শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।