জলের অভাবে চাষ প্রায় ধ্বংসের মুখে হুগলির গোঘাটের কৃষকদের

জলের অভাবে চাষ প্রায় ধ্বংসের মুখে হুগলির গোঘাটের কৃষকদের

বড়দিন কিংবা বর্ষবরণের উত্‍সবে সামিল হতে পারছেন না হুগলির গোঘাটের কৃষকেরা। কারণ জলের অভাবে তাঁদের চাষ প্রায় ধ্বংসের মুখে। সেচের জন্য সরকারের তরফে ভাবে মিনি ডিপ টিউবওয়েল বসানো হলেও দীর্ঘদিন তা বিকল। প্রশাসন থেকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব, বারবার আবেদন জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন হুগলির গোঘাটের কাঁঠালি এলাকার কৃষকেরা। প্রশাসনের তরফে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে  আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন তাঁরা। কৃষকদের অভিযোগ, সরকারি ভাবে যেখানে একর প্রতি তিনশো টাকার বিনিময়ে জল পাওয়া যায়, সেখানে বেসরকারিভাবে একর প্রতি সাড়ে সাত হাজার টাকা দিয়ে চাষের জন্য জল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা। সব মিলিয়ে ঋণের বোঝা এতোটাই যে প্রশাসনিক সাহায্য না পেলে আরও সঙ্কটে পড়তে হবে কৃষকদের।

সিপিআইএমের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, ফাঁসানো হচ্ছে বললেন নেতারা

মিথ্যে অভিযোগ এনে তৃণমূল কংগ্রেস সিপিআইএম নেতা, কর্মীদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। অভিযোগে সরব হয়েছেন হুগলির গোঘাটের সিপিআএম নেতৃত্ব। তৃণমূলের কার্যালয়ে সিপিআইএমের পতাকা লাগানোকে ঘিরেই বিবাদের সূত্রপাত। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি তৃণমূল কর্মীরাই তাদের কার্যালয়ে সিপিআইএমের পতাকা লাগিয়ে দিয়ে মিথ্যে অভিযোগ তুলছে সিপিআইএমের বিরুদ্ধে।

ইমামভাতা নিয়ে বেনিয়মের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

ইমামভাতা নিয়ে বেনিয়মের অভিযোগ উঠল হুগলির গোঘাটে। অভিযোগ, ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে এক তৃণমূল নেতা তাঁর বাবার নাম ইমামভাতা প্রাপকদের তালিকায় ঢুকিয়ে দিয়েছেন। অথচ ভাতা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন প্রকৃত ইমাম। যদিও স্থানীয় বাসিন্দাদের এই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন ওই তৃণমূল নেতার পরিবারের সদস্যরা।   

গোঘাটে ফের সিপিআইএম কর্মী আক্রান্ত

ফের এক সিপিআইএম কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল সেই হুগলির গোঘাট। কাঁটা গ্রামের পর এবার কৃষ্ণগঞ্জ গ্রাম।

তৃণমূল গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত গোঘাট

দলেরই এক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জবর দখলের প্রতিবাদ করতে গিয়ে ঘরছাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের অন্য গোষ্ঠীর লোকজন। এমনই অভিযোগ উঠেছে হুগলির গোঘাটের ভগবানপুর গ্রামে।