কলকাতা থেকে গ্রেফতার দুই মাওবাদী

কলকাতা থেকে দুই মাওবাদীকে গ্রেফতারের ঘটনায় আদালতের তীব্র ভর্তসনার মুখে পড়ল কলকাতা পুলিসের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। শুক্রবার আলিপুর সিএমএম আদালতে তোলা হয় ধৃত মাওবাদী নেতা কিশোর ওরফে সব্যসাচী গোস্বামী এবং কলকাতা সিটি কমিটির সদস্য জাকির হোসেনকে। ধৃত কিশোর ওরফে সব্যসাচী গোস্বামী মাওবাদী রাজ্য কমিটির সদস্য। জাকিরকে পনেরো তারিখে গ্রেফতার করা হলেও তাঁকে শুক্রবার আদালতে পেশ করা হয়।

শিলিগুড়ি পার্টি অফিস থেকে ধৃতদের জামিন দিল আদালত

শিলিগুড়িতে গ্রেফতার হওয়া ৫১ জন বাম সমর্থক কর্মীদের সকলেই জামিন পেলেন আজ। তাঁদের বিরুদ্ধে রুজু করা ৪টি মামলার প্রত্যেকটির জন্য ৫০০ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁদের জামিন মঞ্জুর করে আদালত। একই সঙ্গে এই মামলায় পুলিসের ভূমিকায় বেশ কিছু অনিয়ম নিয়েও কড়া সমালোচনা করেন বিচারক। আজ ধৃত ৫১ জনকে আদালতে ফের পেশ করা হয়। গত ১১ এপ্রিল, পুলিস শুধুমাত্র তাদের স্বতঃপ্রণোদিত করা মামলাটিতেই ৫১ জনকে আদালতে পেশ করে। পরদিন অর্থাত্‍ ১২ তারিখ যখন কেস ডায়েরি আদালতে পাঠানো হয় তখন বাকি তিনটি মামলায় এই ৫১ জনকে ফের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন জানানো হয়।

অশোক, জীবেশের নামে এফআইআর দায়ের

শিলিগুড়িতে ২২ জন বাম কর্মীর নামে এফ আই আর দায়ের করা হল। তৃণমূলের অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। আফ আই আরে নাম রয়েছে আশোক ভট্টাচার্য ও জীবেশ সরকারের।

দায় এড়াতে গ্রেফতার বাস চালক

দায় এড়াতে কলকাতা পুলিস সুদীপ্ত গুপ্তর মৃত্যুর দায় চাপাল বাস চালকের ঘাড়ে। যদিও পুলিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে এসএফআই। এই অবস্থায় মোট তিনটি মামলা দায়ের করেছে পুলিস। সুদীপ্ত গুপ্তের মৃত্যুর দায় কার? এই সমালোচনার মধ্যেই প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে এখন ঘুঁটি সাজাতে ব্যস্ত পুলিস-প্রশাসন।

মদন তামাং হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার ৫

মদন তামাং হত্যাকাণ্ডে আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করল সিবিআই। ধৃতরা হলেন কিসমত ছেত্রী, অলোক কান্তা মনিথুলুং, দীনেশ গুরুং, কেশব পোখরেল ও পুরান থাপা। এদের সকলেরই নাম রয়েছে চার্জশিটে।

ডায়মন্ড হারবার ধর্ষণকাণ্ডে ধৃত দুই

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ডায়মন্ড হারবারের হোটেলে ধর্ষণের ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিস। ধৃত দুই অভিযুক্তের নাম খোকন ও সাদ্দাম। গত ২৪ তারিখ ডায়মন্ড হারবার থানার উল্টোদিকে একটি হোটেলে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে অভিযুক্তরা। এর পর তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় রেখে পালায় দুষ্কৃতীরা।

আরাবুলের মুক্তির দাবিতে অশান্ত ভাঙড়, চলল বোমাবাজি

তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে ভাঙড়ের বিভিন্ন জায়গায় মিছিল শুরু করল তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। শুক্রবার সকালেই ভাঙড়ের কাশিপুর থানার সামনে একটি মিছিল বের হয়। নেতৃত্বে ছিলেন সানপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মুছা হক মোল্লা।

আরাবুল গ্রেফতারের নেপথ্যে

কেন ঘটনার এতদিন পর গ্রেফতার করা হল আরাবুল ইসলামকে? আরাবুলের এই গ্রেফতারির মধ্যে দিয়ে কী ইঙ্গিত দিতে চাইছে সরকার? আরাবুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ লাগাতার অস্বীকার করে এসেছে তৃণমূল শিবির। হঠাত্‍ করে এই গ্রেফতারির পিছনে তাই বড়সর পরিকল্পনা রয়েছে বলেই আশঙ্কা করছেন বিরোধীরা।

ভাঙড় অশান্ত করার হুমকি আরাবুলের

অবশেষে গ্রেফতার হলেন ভাঙড়ের প্রক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলাম। গ্রেফতারের পরও রাশ কমেনি অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার। এ দিন সাংবাদিকদের আরাবুল ইসলাম জানান, "রেজ্জাক মোল্লা, সাত্তার মোল্লারা গুলি চালাল আর আরাবুল ইসলাম গ্রেফতার হল!" সেইসঙ্গে তিনি আরও বলেন,"ভাঙড় শান্ত থাকবে কিনা তা দলীয় কর্মীরা বুঝে নেবেন।"