বাগান ছেড়ে ওডাফা সই করলেন পুরনো ক্লাব চার্চিলে

কথা আগেই চূড়ান্ত হয়ে গেছিল। রবিবার চার্চিলের চুক্তিপত্রে সই করে ফেললেন ওকেলি ওডাফা। নাইজেরীয় গোলমেশিনের সঙ্গে তিন বছরের চুক্তি হয়েছে গোয়ার এই ক্লাবটির। তবে মোহনবাগানের থেকে অনেক কম টাকায় চার্চিলে খেলতে হচ্ছে ওকেলি ওডাফাকে। এমনকি শোনা যাচ্ছে প্রথম বছরে এক কোটি টাকার কম টাকার কমে খেলবেন তিনি। চার্চিল ছেড়েই মোহনবাগানে যোগ দিয়েছিলেন ওডাফা।

গতবারের চ্যাম্পিয়নদের হারাতে পারল না মোহনবাগান

মরসুমের চতুর্থ ম্যাচেও জয় অধরা থাকল মোহনবাগানের। আই লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে চার্চিল ব্রাদার্সের বিরুদ্ধে ড্র করল মোহনবাগান। গোয়ায় গতবারের চ্যাম্পিয়ন চার্চিল ব্রাদার্সের বিরুদ্ধে গোলশূণ্যভাবে ড্র করল করিম বেঞ্চারিফার দলের ছেলেরা।

দেশে `বাঘ` চার্চিল হংকংয়ে তিন গোল খেল

হংকংয়ে এএফসি কাপের ম্যাচে মঙ্গলবার স্থানীয় কিউচি স্পোর্টস ক্লাবের কাছে ৩-০ গোলে হারল চার্চিল ব্রাদার্স। হংকংয়ের মংকক স্টেডিয়ামে চার্চিলের জালে বল ঢোকান জর্জ তারেস দু`বার। ২৮ মিনিটে কিউচিকে গোল করে এগিয়ে দেন চু সিউ কেই। পরে ৩১ ও ৬৬ মিনিটে গোল দেন তারেস। ম্যান অফ দি ম্যাচ তিনিই। এদিন কিউচির প্রাধান্যই ছিল বেশি। কয়েকটা সুযোগ পেলেও কাজের কাজ করতে পারেননি সুনীল ছেত্রীরা। এই ম্যাচ ফের দেখিয়ে দিল, ভারতীয় ফুটবল ও ভারতের ক্লাবগুলির খেলা এখনও পূর্ব বা পশ্চিম এশীয় স্তরে উঠতেই পারেনি। এশীয় স্তরেই পিছিয়ে রয়েছে ভারত।

আই লিগে ফের জটিলতা, এবার কারণ চার্চিল

আই লিগ নিয়ে আবার জটিলতা। মোহনবাগানের নির্বাসন তুলে নেওয়ায় ফেডারেশনের বিরুদ্ধে মামলার হুমকি দিয়েছে চার্চিল ব্রাদার্স। ফেডারেশনকে তিন পাতার নোটিস পাঠিয়ে চার্চিল ১৬ রাউন্ড পর্যন্ত মোহনবাগানের সব ম্যাচ বাতিলের দাবি তুলেছে। তা ছাড়া ম্যাচের সব পয়েন্ট বিপক্ষ দলকে দেওয়ার দাবি তুলেছেন তাঁরা। দাবি না মানলে ফেডারেশনের বিরুদ্ধে মামলার হুমকি দিয়েছে চার্চিল ব্রাদার্স। মোহনবাগানের নির্বাসন তুলে নওয়ার যুক্তি নিয়েও প্রশ্ন করেছে চার্চিল ব্রাদার্স।

ডার্বি জয় ডেম্পোর, অবাক হার সালগাওকরের

ফেডারেশন কাপের ফাইনালে হারের দুঃখ ঝেড়ে ফেলে আই লিগে দারুণ শুরু করল ডেম্পো। শনিবার গোয়ার ডার্বিতে চার্চিল ব্রাদার্সকে ২-১ গোল হারিয়ে তিন পয়েন্ট পেল ডেম্পো। সুভাষ ভৌমিকের দলের বিরুদ্ধে লড়াই করে জয় ছিনিয়ে আনল কোলাসোর দল।

মশাল আর মরগ্যান ম্যাজিকে মাতোয়ারা ময়দান

কলকাতা ময়দান এখন মশালের আলোয় উজ্জ্বল। শিলিগুড়ি থেকে লালহলুদ রং মেখে ফেড কাপের ঠিকানা ইস্টবেঙ্গল তাঁবু। টোলগে টানাপোড়েনকে কয়েক যোজন দূরে

নির্বাসিত করে ইস্টবেঙ্গল আবার ভারত সেরা। চিডি থেকে অর্ণব, মননদীপ থেকে মেহতাব, সবার বসবাস এখন ``ক্লাউড নাইনে।``

ফাইনালেও উঠে জেদ আরও বাড়ল মরগ্যানের

ফাইনালে উঠেও আত্মতুষ্টিতে ভুগছেন না ইস্টবেঙ্গলের ব্রিটিশ কোচ ট্রেভর মরগ্যান। বললেন, এখনও অনেক কাজ করতে বাকি রয়ে গেছে। তবে দলের ফুটবলারদের উপর

ভরসা রাখছেন তিনি।