'বন দফতর এনজয় করার দফতর হয়ে গেছে', ক্ষোভ মুখ্যমন্ত্রীর

'বন দফতর এনজয় করার দফতর হয়ে গেছে', ক্ষোভ মুখ্যমন্ত্রীর

জঙ্গলমহলে বসে বন দফতরের কাজে চরম ক্ষোভপ্রকাশ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকালয়ে হাতির হানা যেভাবে বাড়ছে, তানিয়ে বিরক্তি চেপে রাখেননি মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর তোপ থেকে রেহাই পায়নি পুলিস বিভাগও। গণপিটুনিতে মৃত্যু বন্ধ করতেই হবে, ঝাড়গ্রামে প্রশাসনিক বৈঠকে নির্দেশ মমতার।    

ঝাড়গ্রামে জঞ্জাল সাফাই অভিযানে নেমেছেন সিআরপিএফ জওয়ানরা ঝাড়গ্রামে জঞ্জাল সাফাই অভিযানে নেমেছেন সিআরপিএফ জওয়ানরা

ঝাড়গ্রামে জঞ্জাল সাফাই অভিযানে নেমেছেন সিআরপিএফ জওয়ানরা। শহরের হাসপাতাল, রাস্তা, স্টেডিয়াম সর্বত্র চলছে জওয়ানদের নাকাবন্দি। নোংরা-জঞ্জাল পেলেই ঝাঁপিয়ে পড়ছেন জওয়ানরা। জওয়ানরা আশাবাদী, মাওবাদী দমনের মত জঞ্জাল সাফাইয়েও সাফল্য মিলবে। আশাবাদী ঝাড়গ্রামের সাধারণ মানুষও।

হাইকোর্টের নির্দেশে হতাশার অন্ধকারে সিভিক ভলান্টিয়ারদের পরিবার হাইকোর্টের নির্দেশে হতাশার অন্ধকারে সিভিক ভলান্টিয়ারদের পরিবার

অভাবের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। ছোট থেকেই এমন অবস্থায় অভ্যস্ত ছিলেন বাঁকুড়ার সারেঙ্গার অমিত দুলে। তবে ২০১৩ থেকে অবস্থা বদলেছিল খানিকটা। সারেঙ্গা থানায় সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজ মিলেছিল। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশে ফের হতাশার অন্ধকারে গোটা পরিবার। শুধু কী অমিত, গোটা রাজ্যের কয়েক হাজার সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজ হারানো এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। 

আজ ভোট জঙ্গলমহলে, নিরাপত্তায় ফাঁক রাখেনি কমিশন আজ ভোট জঙ্গলমহলে, নিরাপত্তায় ফাঁক রাখেনি কমিশন

বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় আজ ভোট জঙ্গলমহলে। তিন জেলার ১৮টি আসনে আজ ভোট হচ্ছে। এই ১৮টি আসনের অধিকাংশই একসময় মাওবাদী প্রভাবিত ছিল। তাই নিরাপত্তায় কোনও ফাঁক রাখেনি নির্বাচন কমিশন। কমিশনের বিশেষ নজরে রয়েছে এই কেন্দ্রগুলি।

সুষ্ঠভাবে ভোটপর্ব মেটাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরেই ভরসা কমিশনের সুষ্ঠভাবে ভোটপর্ব মেটাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরেই ভরসা কমিশনের

জঙ্গলমহলসহ রাজ্যের ১৮টি আসনে ভোট গ্রহণ। সুষ্ঠভাবে ভোটপর্ব মেটাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরেই ভরসা রাখছে কমিশন। ইতিমধ্যেই এলাকায় পৌছে গেছে বাহিনী। চলছে রুটমার্চ। কাল দিন ভর আকাশ পথে টহল দেবে হেলিকপ্টারও।

ভারতী ঘোষের বদলি নিয়ে আপত্তিতে নির্বাচন কমিশনের তোপের মুখে রাজ্য প্রশাসন ভারতী ঘোষের বদলি নিয়ে আপত্তিতে নির্বাচন কমিশনের তোপের মুখে রাজ্য প্রশাসন

জঙ্গলমহল থেকে ভারতী ঘোষের বদলি নিয়ে আপত্তি তুলে নির্বাচন কমিশনের তোপের মুখে পড়তে হল রাজ্য প্রশাসনকে। মুখ্যসচিব বাসুদেব বন্দ্যাপাধ্যায়ের চিঠির জবাব দিতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন যেভাবে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে, তাতে অস্বস্তি বেড়েছে রাজ্য সরকারের।

ভোটে জঙ্গলমহল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরানোয় আপত্তি রাজ্যের ভোটে জঙ্গলমহল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরানোয় আপত্তি রাজ্যের

বিধানসভা ভোটে জঙ্গলমহল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরানো সম্ভব নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে একথা জানিয়ে দিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের যুক্তি,  ঝাড়খণ্ড সীমান্ত দিয়ে মাঝ্যেমধ্যেই এরাজ্যে যাওয়া আসা করছে মাওবাদীরা। এই অবস্থায় বাহিনী সরালে জঙ্গলমহলের শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে।

আতঙ্ক কাটিয়ে হাসছে জঙ্গলমহল আতঙ্ক কাটিয়ে হাসছে জঙ্গলমহল

একটা সময় ছিল যখন জঙ্গলমহল মানেই ছিল আতঙ্ক। গুলি-বোমার শব্দ আর আতঙ্ক নিত্যসঙ্গী ছিল ওখানকার মানুষদের। মৃত্যুভয় সবসময় তাড়া করে বেড়াত। দীর্ঘদিন ধরে ভয়ে কুঁকড়ে যাওয়া মুখগুলোয় আজ হাসি ফুটেছে। অন্ধকারের দিন কাটিয়ে আলোয় ফিরেছে জঙ্গলমহল। সেখানে এখন আছে তিন-তিনটে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, সেতু, স্কুল, কলেজ।

লম্ফ নয়, জঙ্গলমহলের গ্রামগুলিতে এখন জ্বলে বিদ্যুতের আলো লম্ফ নয়, জঙ্গলমহলের গ্রামগুলিতে এখন জ্বলে বিদ্যুতের আলো

গ্রামে মানুষ বাস করে কিন্তু বাস করার উপযোগী পরিবেশ সেখানে নেই। সন্ধ্যা নামলেই  ঘন অন্ধকারে কারওর বাড়ির বাইরে পা রাখার সাহস হত না। ঘরের মধ্যে লম্ফটাই ছিল আলোর এক মাত্র উতস। জলের জন্য কয়েক কিলোমিটার ছুটতে হত গ্রামবাসীদের। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। এখন ঘরে ঘরে জ্বলে বিদ্যুতের আলো। রাতের বেলা খোলা থাকে বাজার, দোকান। গ্রামে ট্যাপ কল বসায় আর এক বালতি জলের জন্য যেতে হয় না কয়েক কিলোমিটার দূরে। পশ্চিম মেদিনীপুরের আউলিয়া, শালুকা, জোরাম, ধরমপুরের মত গ্রামগুলিতে এখন আমূল বদলেছে ওই এলাকার রোজনামচা।

 মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ডের বস্ত্র ব্যবসায়ীরাও রেশম কিনেছেন জঙ্গলমহল থেকে মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ডের বস্ত্র ব্যবসায়ীরাও রেশম কিনেছেন জঙ্গলমহল থেকে

চাষীর আত্মহত্যা। দেখেছে এরাজ্য। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে, গরিব চাষীর লড়াই দেখা যেন অভ্যেসে দাঁড়িয়ে গেছে। যেন, এটাই হয়। তবু এরই মধ্যে স্বপ্ন দেখেন ওঁরা।  দিনবদলের স্বপ্ন। তা যে সত্যিও হয়, প্রমাণ আমাদের এই খবর। আমাদের খাওয়া-বাঁচার ভার এদের ওপর। তবু এদেরই ভুখা পেট। এদেরই ঘরে দারিদ্রের ছোবল। ঋণের বোঝা। আর না। ঠিক করে নিয়েছিলেন মঞ্জু, আলো, বাসন্তীরা। দিশা দেখায় বিকল্প চাষ। সেই পথেই হেটে আজ আলোর দিশারী এরা। নিজেরাই খেটে ফলিয়েছেন রেশম। প্রায় এগারোশো চাষী। যার সিংহভাগ মহিলা। মনে কঠিন অঙ্গীকার। ভাগ্য বদলের স্বপ্ন। এবার সত্তর লক্ষ রেশম গুটির ফলনও হয়েছে। তবে এখানেই দাড়ি টানেননি এরা। এরপর বিক্রির দায়িত্বও তুলে নিয়েছেন নিজেদেরই কাঁধে। নিলামের ব্যবস্থা করেছেন।

২ টাকার চাল মিলেছে, মেলেনি স্বামীর প্রতীক্ষার উত্তর, হাহাকার ধ্বনি জঙ্গল মহলে ২ টাকার চাল মিলেছে, মেলেনি স্বামীর প্রতীক্ষার উত্তর, হাহাকার ধ্বনি জঙ্গল মহলে

জঙ্গলমহলে শান্তি ফিরেছে। কিন্তু চোখের জল মোছেনি মাওবাদীদের হাতে খুন হওয়া পরিবারগুলোর। সস্তায় দু কেজি চাল আর সামান্য সহযোগিতা ছাড়া এদের দিকে মুখ ফিরে তাকায়নি কেউই। কিন্তু, একসময়ে অস্ত্রহাতে দাপিয়ে বেড়ানো মাওবাদীদের দারুণ কদর। আত্মসমর্পণ করলেই বাঁধা সরকারি ইনাম।

ভোটের আগে জঙ্গলমহলে মুখ্যমন্ত্রীর স্টেজ রিহার্সাল  ভোটের আগে জঙ্গলমহলে মুখ্যমন্ত্রীর স্টেজ রিহার্সাল

জঙ্গলমহলে  মাওবাদীদের নিয়ে একটি শব্দও উচ্চারণ করলেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধুই, জঙ্গলমহলে শান্তি ফেরানোর একক কৃতিত্ব দাবি করলেন। পেশ করলেন গত চারবছরে উন্নয়নের দীর্ঘ তালিকা। কিন্তু, শান্তি ফিরলেও কেন জঙ্গলমহল জুড়ে নিরাপত্তার এত কড়াকড়ি উঠছে প্রশ্ন।

বৈধ বালি খাদানকে অবৈধ বলে তোলা আদায় স্বয়ং পুলিসের! বৈধ বালি খাদানকে অবৈধ বলে তোলা আদায় স্বয়ং পুলিসের!

বৈধ বালি খাদানকে অবৈধ তকমা দিয়ে তোলা আদায়। পুলিসেরই বিরুদ্ধে উঠল এমন মারাত্মক অভিযোগ। এর জেরে পশ্চিম মেদিনীপুরে জঙ্গলমহলে গত একমাস ধরে কার্যত বন্ধ বালি তোলা।  বন্ধ শ্রমিকদের রুটিরোজগার।

মাও আতঙ্ক ফের নতুন করে ছড়াচ্ছে পুরুলিয়াতেও মাও আতঙ্ক ফের নতুন করে ছড়াচ্ছে পুরুলিয়াতেও

জঙ্গলমহলে ফিরছে মাওবাদী আনাগোনার ছায়া। পশ্চিম মেদিনীপুর ও বাঁকুড়ায় তার আভাস ইতিমধ্যে দেখিয়েছি আমরা। আতঙ্ক ছড়াচ্ছে পুরুলিয়াতেও। কিন্তু কেন?

মহুয়ার নেশা, ধামসা, মাদলে বাহা উত্সবে মাতল বাঁকুড়া মহুয়ার নেশা, ধামসা, মাদলে বাহা উত্সবে মাতল বাঁকুড়া

প্রকৃতির সঙ্গে নিত্যদিন যাঁরা বেঁচে থাকেন, সেই আদিবাসী মানুষদের সুখ-দুঃখ-আনন্দ-হাসি গান সবই ঋতু চক্রের সঙ্গেই। বসন্তে ফুলে আর কচি পাতায় গাছগাছালি যখন ঢেকে যায় তখনই আদিবাসীদের মধ্যে শুরু হয় বাহা উত্

এনসেফ্যালাইটিসের সঙ্গেই এবার জঙ্গলমহলে থাবা ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়ার এনসেফ্যালাইটিসের সঙ্গেই এবার জঙ্গলমহলে থাবা ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়ার

এনসেফ্যালাইটিসের প্রকোপের মাঝেই রাজ্যের জঙ্গলমহলে থাবা বসাল ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়া। শুধুমাত্র জুলাই মাসেই আমলাশোলের একশো সাত জনের রক্তে ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়ার উপস্থিতি ধরা পড়েছে। সা